Showing posts with label Lalakhal Tea Garden. Show all posts
Showing posts with label Lalakhal Tea Garden. Show all posts

Monday, October 26, 2015

সিলেটে শেষবার

আমাদের একটা ট্যুর পাওনাই ছিল, সেই কবে এক সাথে যাবো যাবো করে ২টা ঈদ পার করলাম, মাঝে রেজোয়ান করলো রাগ ট্যুর নাই কেন বলে। তারপর যেদিন আমাদের ট্যুরের ম্যানেজার ফয়সাল আমাকে ফোন দিয়ে বলে চল ঘুরে আসি তখন তো ট্যুর দেয়া ফরজ হয়ে যায়।

ঘটা করে ট্যুর দেয়া হয়নি এবার। অনেক দিন আগেই সেট করা ছিল প্ল্যান এ, কই যাবো কোথায় যাবো, কোথায় থাকবো, কি খাবো, কি করবো। সাথে করে প্ল্যান বি নিয়ে গিয়েছিলাম।

খুব দ্রুতই ২ টা দিন কেটে গেলো। এবার মজাটা এক ডিগ্রি বেশি হয়ে গেলো। ট্যুর ম্যানেজারের একটা কথা সব সময় মনে থাকবে, "জায়গা হউক যথা তথা, মজা হউক ভালো"।

সেটা ঘুমাবার আগেই হোক, ঘুম থেকে উঠেই হোক, সেটা সিএনজিতে হোক, আর রিক্সায় হোক, অথবা সেটা হতে পারে পানসীতে পান খেতে খেতে, হতে পারে জাফলঙে পানির স্রোতে, আবার হতে পারে বিছানাকান্দি ফেরার বেলায় ট্রাক্টর রাইডে, আবার মজার ঘটনা ঘটতে পারে সিনেমা হলেও। এটা ছিল একটা শিক্ষা সফর, যেখানে কেউ শিখাতে যায় নাই, শিখতে গিয়েছে।

তবে আসল শিক্ষা ছিল আমাদের সিলেট নিয়ে। যতবারই যাই ততবারই সেই অমূল্য শিক্ষা পাই, এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। শেয়ার না করে পারছিনা শিক্ষাগুলা-

- সিলেটবাসি নিরেট নিকৃষ্ট মানুষ।

- নিজেদের সিলোটী ভাষার অপব্যবহার করে আপনার কাছ থেকে ফায়দা আদায় করতে এরা মেলা ওস্তাদ। (আপনি বলছেন ১০০ টাকা, ওরা শুনবে ৮০০ টাকা, না বুঝলে বলবে আপনে বুঝেন নাই, ঠিকই তারা বাংলা বুঝে, কিন্তু টাকার বেলায় বাংলা বুঝে না)।

- সিএনজিওয়ালা/ রিক্সাওয়ালা/ বাসের ড্রাইভার/ হেল্পার/ কন্ট্রাক্টর/ হোটেল মালিক/ হোটেলের ব্যাটা/ সিগেরেট ওয়ালা/ পিচ্চি পোলাপান/ নৌকাওয়ালা/ আবাল বৃদ্ধ বণিতা সব লেভেলের শালা আপনাকে ঠকানোর ধান্দায় থাকবে।

- সিলেটবাসীর ব্যবহার, আচার আচরণ হল সারা বাংলাদেশের মানুষ থেকে নিকৃষ্ট, তাদের মাঝে স্যরি নামক কোন শব্দ ডিকশনারিতে নাই।

- আমি বান্দরবন বান্দরবন/ চট্রগ্রাম কেন করি? কারন সেখানকার মানুষ হল মাটির মানুষ। আর সিলেটের মানুষের রক্তে সমস্যা আছে। মানুষকে ঠকিয়ে ২/৪ দিন চলা যায় আজীবন না। আজকে আমার থেকে একশ মানুষ জানবে তাদের বাটপারির কথা, একশ থেকে এক হাজার আর এক হাজার থেকে এক লাখ.. চলবেই। আর তাদের বাটপারী শুধু দেশেই নয়, বিদেশের মাটিতেও বজায় রেখেছে।

- এবং সিলেটে এইবারই আমাদের সবার লাস্ট ট্রিপ হয়ে গেলো, দেখার আর কিছুই নাই। সবচেয়ে জঘন্য জাত সিলেটজাত।

আমার কথাগুলো সম্পুর্ন ব্যাক্তিগত, এখানে তেনা প্যাঁচানো/চিকা মারা নিষেধ।


রেজোয়ানের কিছু কথা শেয়ার করা দরকারঃ

আর জীবনেও সিলেট যাচ্ছি না। এই না যাওয়া শুধুই সিলেটবাসিদের উপর অভিমান করে। আমি আগে আফসোস করতাম, ইসস যদি ওই পাশের সবুজ পাহাড় গুলো ইন্ডিয়ার না হয়ে আমাদের হতো !! এখন মনে মনে শান্তি পাই, যাক! ওরা ভালো আছে। আমাদের হলে আজ পাহাড় গুলো সবুজ থাকতো না। লাল মাটির স্তুপ হয়ে বিভৎস দেখাতো। আর আমাদের মধ্যে যারা টুরিষ্ট/ট্রাভেলার আছেন, তারা সব জায়গায় গিয়ে চিপ্সের প্যাকেট, সিগারেটের প্যাকেট, পলিথিন ফেলে আসেন। তারা ঢাকাতেই থাকুন। নোংরা হলে একটা শহরই হোক।

মানুষ গুলো জঘন্য। ইতরের শেষ লেভেল এর। এইটা প্রথমবার নয়, এর আগেও এমন হয়েছিলো। গুহা মানবের সভ্যতা ধরে রেখেছে আজও। হয়তো আমার ভাগ্য খারাপ যে আমি একজন ও ভাল কাউকে খুঁজে পাইনি। আমরা টুরিষ্ট হিসেবে ঘুরতে গিয়েছিলাম, তাই হয়তো একেবারে সাধারন দৈনন্দিন জীবনে ব্যাস্ত সিলেটিদের সাথে মেশার সুযোগ হয়নি। হয়তো তারাও ভালো। কিন্তু খুঁজে পাইনি। অর্থাৎ সিলেটে ভালো মানুষের উপস্থিতি, খোঁজার পরিমানের সাথে আপেক্ষিক।

ঢাকা থেকে ৬ টা পোলা আসছে? আসো আমরা ওদের স্বাগতম জানাই। যেভাবে আমাদের সিলেটবাসি স্বাগতম জানালোঃ

১। বদ আচরন হোটেল মালিকদের হোটেল খোঁজার সময়।
২। ফেরার বাস টিকিট কাটার সময় ভালো সিট ইচ্ছা করেই না দেয়া, যদিও ফেরার সময় দেখলাম বাস ভর্তি সিট খালি।
৩। খাবার হোটেল এর অস্বাভাবিক মুল্য (মাছের ক্ষেত্রে)
৪। রিক্সা ওয়ালার অতিরিক্ত ভাড়া আদায়।
৫। সিএনজি ওয়ালা জাফ্লং অ লালাখাল ঘুড়াবে বলে নিয়ে গেলেও শুধু জাফ্লং ঘুরিয়েই পুরো টাকা আদায় এবং অনুশোচনাহিন
৬। ১০০ টাকার ভাড়া ৮০০ টাকা চাওয়া
৭। নৌকা ভাড়া ৩০০ টাকার টা ২৫০০ চাওয়া
৮। ৮ বছরের বাচ্চা কর্তৃক কিডন্যাপ হওয়ার নিশ্চিত সম্ভাবনা
৯। সেই বাচ্চা কর্তৃক পুনরায় ব্যাগ চুরির পায়তারা
১০। উচ্চ মুল্যে ব্ল্যাক এ সিনেমার টিকেট বিক্রি
১১। ৭০০ টাকার খাবার কেনার পরেও প্রচুর ভাংতি থাকা সত্ত্বেও ৫০০ টাকার ভাংতি না দেয়া।
১২। আমরা হোটেল ছেড়ে বাইরে যাবার পর আমাদের রুম অবৈধ কাজে ভাড়া দেয়া
১৩। রাস্তার মানুষজনের ভুল ইনফরমেশন দিয়ে আমাদের বিভ্রান্ত করা।
১৪। বাসে ঘুমিয়ে থাকা সত্ত্বেও আমার পায়ের সামনে কাঁচের টুকরা রাখা, এবং আমার পা কেটে গেলে, আমাকেই দোষারোপ করা
১৫। ফেসবুকে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করায়, আমাদের প্রতি সহানিভুতি না জানিয়ে আমাদের মুর্খ বলে সম্বোধন করা।

একটা এলাকার যত মানুষের সাথে দেখা সাক্ষাত হয়েছে, সবারই আচরন অপছন্দ হয়েছে এবং কারনও আছে। এরপরেও অনেকেই বলছে আমরা ২-১ জনকে দিয়ে সবাইকে জাজ করছি। আমরাও জানি, সিলেটে ভালো মানুষ অবশ্যই আছে। কিন্তু সেটা যদি এতই দুর্লভ হয়, তাহলে সবাইকে গড়পড়তা নিকৃষ্ট বলা ভুল হবে না আমাদের। কিডন্যাপ হইলে অথবা ক্ষতি হইলে তো আর অই ভালো মানুষ গুলো এসে আমাদের বাচাঁতো না। যাই হোক, সিলেটবাসীর প্রতি এই ঘৃনা বেঁচে থাকবে অনেকদিন।

১০০ টা ঘটনা ঘটলে ২-১ টা প্রকাশ পায়। আর আমরা অই ২-১ টা ঘটনা রেফারেন্স হিসেবে নিলেই সবাই বলে ২-১ টা ঘটনা দিয়ে সবাইকে জাজ করা উচিত না। আমরা দেশের সর্বোত্রই নিরাপত্তা চাই। কারন কোনো এলাকাই ওই এলাকাবাসীর নিজস্ব সম্পত্তি নয়। তবে অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য তাদেরকেই দায়বদ্ধতা নিতে হবে। ঢাকাতেও অনেক ঘটোনা ঘটে থাকে। তবে ঢাকায় অন্য এলাকার মানুষ এলে, আমরা তাদেরকে সহায়তা করি। লুটে খাওয়ার পন্য মনে করি না।

Last but not least:

তুমি আমাকে সিলেট মুক্ত বাংলাদেশ দাও, আমি তোমাকে নিরাপদে ভ্রমনের নিশ্চয়তা দেব।



Thursday, July 16, 2015

লালাখাল, সিলেট


মেঘালয় পর্বত শ্রেনীর সবচেয়ে পুর্বের অংশ জৈন্তিয়া হিলসের ঠিক নীচে পাহাড়, প্রাকৃতিক বন, চা বাগান ও নদীঘেরা একটি গ্রাম লালাখাল, সিলেট জেলার জৈন্তিয়াপুর উপজেলায়। জৈন্তিয়া হিলসের ভারতীয় অংশ থেকে মাইন্ডু ( Myntdu) নদী লালাখালের সীমান্তের কাছেই সারী নদী নামে প্রবেশ করেছে এবং ভাটির দিকে সারীঘাট পেরিয়ে গোয়াইন নদীর সাথে মিশেছে। লালাখাল থেকে সারীঘাট পর্যন্ত নদীর বারো কিমি পানির রঙ পান্না সবুজ- পুরো শীতকাল এবং অন্যান্য সময় বৃষ্টি না হলে এই রঙ থাকে। মুলতঃ জৈন্তিয়া পাহাড় থেকে আসা প্রবাহমান পানির সাথে মিশে থাকা খনিজ এবং কাদার পরিবর্তে নদীর বালুময় তলদেশের কারনেই এই নদীর পানির রঙ এরকম দেখায়। 

সিলেট জাফলং মহাসড়কে শহর থেকে প্রায় ৪২ কিমি দূরে সারীঘাট। সারীঘাট থেকে সাধারনতঃ নৌকা নিয়ে পর্যটকরা লালাখাল যান। স্থানীয় ইঞ্জিনচালিত নৌকায় একঘন্টা পনেরো মিনিটের মতো সময় লাগে সারী নদীর উৎসমুখ পর্যন্ত যেতে। নদীর পানির পান্না সবুজ রঙ আর দুইপাশের পাহাড় সারির ছায়া- পর্যটকদের মুগ্ধ করে। উৎসমুখের কাছাকাছিই রয়েছে লালাখাল চা বাগান। 

সারীঘাটে নাজিমগড় রিসোর্টসের একটি বোট স্টেশন আছে। এখান থেকে ও বিভিন্ন ধরনের ইঞ্জিন চালিত নৌকা নিয়ে লালাখাল যাওয়া যায়। লালাখালে সারী নদীর তীরে নাজিমগড়ের একটি মনোরম রেস্টুরেন্ট রয়েছে- ‘রিভার কুইন’ । সব অতিথিদের জন্যই এটি উন্মুক্ত। রিভারকুইন রেস্টুরেন্টের পাশেই রয়েছে ‘এডভেঞ্চার টেন্ট ক্যাম্প ‘ । এডভেঞ্চার প্রিয় পর্যটকরা এখানে রাত্রিযাপন করতে পারেন। নদীপেরিয়ে লালাখাল চা বাগানের ভেতর দিয়ে রয়েছে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা হাঁটার পথ ( ট্রেকিং ট্রেইল) 

এ ছাড়া পেছনে পাহাড়ের ঢাল ও চুঁড়োয় গড়ে উঠেছে নাজিমগড়ের বিলাসবহুল নতুন রিসোর্ট ‘ওয়াইল্ডারনেস’। আবাসিক অতিথি ছাড়া এখানে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত। 

সরাসরি গাড়ী নিয়ে ও লালাখাল যাওয়া যায়। সারী ব্রীজ় পেরিয়ে একটু সামনেই রাস্তার মাঝখানে একটি পুরনো স্থাপনা।এটি ছিলো জৈন্তিয়া রাজ্যের রাজকুমারী ইরাবতীর নামে একটি পান্থশালা। এর পাশ দিয়ে হাতের ডানের রাস্তায় ঢুকে সাত কিমি গেলেই লালাখাল। লালাখাল এ রিভার কুইন রেস্টুরেন্ট এর সামনে থেকে ও নৌকা নিয়ে জিরোপয়েন্ট ঘুরে আসা যায়। 

সিলেট শহর থেকে লালাখাল পর্যন্ত ৬-৮ জন বহনকারী মাইক্রো ভাড়া হতে পারে ৩৫০০ - ৪০০০ টাকার মধ্যে। ৯-১২ জন বহনকারী মাইক্রো ভাড়া হতে পারে ৪৫০০ - ৫,৫০০ টাকার মধ্যে। শুক্রবার হলে আরেকটু বেশী ও হতে পারে। 

সারীঘাট থেকে স্থানীয় নৌকা নিয়ে লালাখাল যেতে খরচ পড়বে ১০০০-১৫০০ টাকার মতো খরচ পড়ে। আর নাজিমগড় বোট স্টেশনের বিশেষায়িত নৌকাগুলোর ভাড়া ২০০০-৫০০০ টাকা পর্যন্ত। গাড়ী নিয়ে লালাখাল চলে গেলে রিভারকুইন রেস্টুরেন্ট থেকে আধাঘন্টার জন্য নৌকা ভাড়া পড়বে ৫০০ টাকা। দুপুরের খাবার প্রতিজন ৪০০-৫০০ টাকা।


Lalakhal,which is another top tourist attraction in Jaintapur Upazilla, is covered with hills, natural forests, tea gardens, and rivers under the Jainta Hill which comprises part of the Meghalaya Ranges of India. Flowing from the Indian part, the river Myntdu enters Lalakhal as the Saree and meets the river Guaiyan after passing Sarighat. Over a stretch of nearly 12 km of the river from Lalakhal to Sarighat, the colour of the water stays transparent green in winter (as well as in other seasons when it does not rain) due to the minerals flowing with water and the sandy river bed.

A tourist can experience green water river, Range of mountain and Tea Garden- at once in Lalakhal.
At the eastern bank of river Saree, there is the ‘Lalakhal Tea Garden’. 

A tourist can experience green water river, Range of mountain and Tea Garden- at once in Lalakhal.

How to go there?

Tourists usually travel to Sarighat, which is 42 km away from Sylhet city centre, by road and then hire a boat to reach Lalakhal. The one-and-a-quarter hour (mechanised-) boat ride over this crystal green water with lush green hills on both sides of the river is a soothing sight for any nature lovers. 

There is a boat station in Sarighat operated by Nazimgarh Resort. Different types of mechanised boats can be hired from there to travel to Lalakhal. 

It is also possible to go to Lalakhal by Micro Bus or Private car. Not far from the Sari Bridge is an old structure which used to be a tavern named after ‘Iraboti’, the princess of the Jainta Province,in the middle of the road. Lalakhal is just 7 km away from this landmark. Tourists can embark on a journey to the Zero Point by boat from the River Queen restaurant. A microbus can be rented for 3500-5500 BDT depending on its size and make, though it would cost more at the weekend (especially on Fridays). 

Locally made mechanised boats may be hired from Sarighat about 1200-1500 BDT while the special boats of Nazimgarh Boat Station would cost 2000-5000 BDT. 

A half-an-hour boat ride from the River Queen restaurant (Lalakhal) costs 500 BDT.

Where to stay?

Nazimgarh Resorts operates ‘Adventure Tent Camp’ in Lalakhal which is open to tourist during Winter. 

Apart that, Nazimgarh has a world class nature Resort Wilderness in Lalakhal.

Where to eat?

Nazimgarh Resort runs a cosy restaurant named River Queen located on the bank of the Sari and open to all tourists. Lunch costs about 400-500 BDT per person.

Information you need to know?

Lalakhal is place, Tourist may visit in winter and monsoon both season. During winter may enjoy the serenity of Saree river, where monsoon offers the eternal greenery and cloud drench mountains. 

There is no police station in Lalakhal. As it is under Jainitapur Thana Of Sylhet District for any help need to call Officer In In charge- 01713374377, UNO- 01730331037.

visitsylhet.com

visitsylhet.com

visitsylhet.com