Showing posts with label chittagong. Show all posts
Showing posts with label chittagong. Show all posts

Tuesday, August 9, 2016

সাজেক ভ্রমণের এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন গাইড

সাজেক ইউনিয়ন (ইংরেজি: Sajek Union), বাঘাইছড়ি উপজিলার রাঙামাটি জিলায়। আয়তন: ৪৩,৭৭৬ একর (বর্গ কিলোমিটার)।
খাগড়াছড়ির দিঘীনালা থেকে মারিশ্যা রাস্তার উপর দিয়ে কাচালাং পার হয়ে মাচালাং হয়ে রুইলুই পাড়ায় রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন সাজেক ভ্যালীতে আসতে হবে। সাজেকে কি আছে যা নিয়ে এত হাউ কাউ? সাজেকের পাহাড় চূঁড়া থেকে মিজোরামের লুসাই পাহাড়ের অদ্ভুত দৃশ্য দেখে সকল ক্লান্তি ও কষ্ট নিমিষেই মিলিয়ে যায় ।

সাজেক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয়েছে এপ্লিকেশনটিতে।
  • কিভাবে যেতে হয়
  • কোন যাতায়াতের ভাড়া কেমন
  • সর্বমোট বাজেট কেমন লাগতে পারে
  • কোথায় থাকার ব্যবস্থা আছে
  • পাহাড়ি মাচায় থাকতে হলে কি করতে হবে
  • ট্যুর গাইডের জন্য
  • রিসোর্ট বুকিং এর জন্য কার সাথে যোগাযোগ করতে হবে –এই তথ্য গুলো আছে এপ্লিকেশনটিতে।

যারা সাজেক ঘুরে এসেছে তাদের মতামত, এবং সাজেক ঘুরতে গিয়ে আরো কোন কোন জায়গাগুলো দেখে আসতে পারেন, যা অনেকেই জানেন না সেসবের ঠিকানা দেয়া হয়েছে। আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের। ধন্যবাদ।

এপ্স ডাউনলোড লিঙ্কঃ Sajek Tour Guide (সাজেক গাইড)
এপ্সটি তৈরি করছেঃ Hello Tech

সাজেক নিয়ে আমার আগের ব্লগ দেখতে পারেন-

এছাড়াও খাগড়াছড়ি নিয়ে ব্লগ দেখে নিতে পারেন-
অথবা আমার পেইজে দেখতে পারেনঃ Rono’s Traveling
#baghaichori, #chittagong, #khagrachori, #sajek, #sajek valley, #সাজেক #rangamati #dighinala #rocksajek #runmoy #resort #sajekvalley

সাফাত আল মামুন রণ
০৯/০৮/২০১৬

Monday, October 26, 2015

সিলেটে শেষবার

আমাদের একটা ট্যুর পাওনাই ছিল, সেই কবে এক সাথে যাবো যাবো করে ২টা ঈদ পার করলাম, মাঝে রেজোয়ান করলো রাগ ট্যুর নাই কেন বলে। তারপর যেদিন আমাদের ট্যুরের ম্যানেজার ফয়সাল আমাকে ফোন দিয়ে বলে চল ঘুরে আসি তখন তো ট্যুর দেয়া ফরজ হয়ে যায়।

ঘটা করে ট্যুর দেয়া হয়নি এবার। অনেক দিন আগেই সেট করা ছিল প্ল্যান এ, কই যাবো কোথায় যাবো, কোথায় থাকবো, কি খাবো, কি করবো। সাথে করে প্ল্যান বি নিয়ে গিয়েছিলাম।

খুব দ্রুতই ২ টা দিন কেটে গেলো। এবার মজাটা এক ডিগ্রি বেশি হয়ে গেলো। ট্যুর ম্যানেজারের একটা কথা সব সময় মনে থাকবে, "জায়গা হউক যথা তথা, মজা হউক ভালো"।

সেটা ঘুমাবার আগেই হোক, ঘুম থেকে উঠেই হোক, সেটা সিএনজিতে হোক, আর রিক্সায় হোক, অথবা সেটা হতে পারে পানসীতে পান খেতে খেতে, হতে পারে জাফলঙে পানির স্রোতে, আবার হতে পারে বিছানাকান্দি ফেরার বেলায় ট্রাক্টর রাইডে, আবার মজার ঘটনা ঘটতে পারে সিনেমা হলেও। এটা ছিল একটা শিক্ষা সফর, যেখানে কেউ শিখাতে যায় নাই, শিখতে গিয়েছে।

তবে আসল শিক্ষা ছিল আমাদের সিলেট নিয়ে। যতবারই যাই ততবারই সেই অমূল্য শিক্ষা পাই, এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। শেয়ার না করে পারছিনা শিক্ষাগুলা-

- সিলেটবাসি নিরেট নিকৃষ্ট মানুষ।

- নিজেদের সিলোটী ভাষার অপব্যবহার করে আপনার কাছ থেকে ফায়দা আদায় করতে এরা মেলা ওস্তাদ। (আপনি বলছেন ১০০ টাকা, ওরা শুনবে ৮০০ টাকা, না বুঝলে বলবে আপনে বুঝেন নাই, ঠিকই তারা বাংলা বুঝে, কিন্তু টাকার বেলায় বাংলা বুঝে না)।

- সিএনজিওয়ালা/ রিক্সাওয়ালা/ বাসের ড্রাইভার/ হেল্পার/ কন্ট্রাক্টর/ হোটেল মালিক/ হোটেলের ব্যাটা/ সিগেরেট ওয়ালা/ পিচ্চি পোলাপান/ নৌকাওয়ালা/ আবাল বৃদ্ধ বণিতা সব লেভেলের শালা আপনাকে ঠকানোর ধান্দায় থাকবে।

- সিলেটবাসীর ব্যবহার, আচার আচরণ হল সারা বাংলাদেশের মানুষ থেকে নিকৃষ্ট, তাদের মাঝে স্যরি নামক কোন শব্দ ডিকশনারিতে নাই।

- আমি বান্দরবন বান্দরবন/ চট্রগ্রাম কেন করি? কারন সেখানকার মানুষ হল মাটির মানুষ। আর সিলেটের মানুষের রক্তে সমস্যা আছে। মানুষকে ঠকিয়ে ২/৪ দিন চলা যায় আজীবন না। আজকে আমার থেকে একশ মানুষ জানবে তাদের বাটপারির কথা, একশ থেকে এক হাজার আর এক হাজার থেকে এক লাখ.. চলবেই। আর তাদের বাটপারী শুধু দেশেই নয়, বিদেশের মাটিতেও বজায় রেখেছে।

- এবং সিলেটে এইবারই আমাদের সবার লাস্ট ট্রিপ হয়ে গেলো, দেখার আর কিছুই নাই। সবচেয়ে জঘন্য জাত সিলেটজাত।

আমার কথাগুলো সম্পুর্ন ব্যাক্তিগত, এখানে তেনা প্যাঁচানো/চিকা মারা নিষেধ।


রেজোয়ানের কিছু কথা শেয়ার করা দরকারঃ

আর জীবনেও সিলেট যাচ্ছি না। এই না যাওয়া শুধুই সিলেটবাসিদের উপর অভিমান করে। আমি আগে আফসোস করতাম, ইসস যদি ওই পাশের সবুজ পাহাড় গুলো ইন্ডিয়ার না হয়ে আমাদের হতো !! এখন মনে মনে শান্তি পাই, যাক! ওরা ভালো আছে। আমাদের হলে আজ পাহাড় গুলো সবুজ থাকতো না। লাল মাটির স্তুপ হয়ে বিভৎস দেখাতো। আর আমাদের মধ্যে যারা টুরিষ্ট/ট্রাভেলার আছেন, তারা সব জায়গায় গিয়ে চিপ্সের প্যাকেট, সিগারেটের প্যাকেট, পলিথিন ফেলে আসেন। তারা ঢাকাতেই থাকুন। নোংরা হলে একটা শহরই হোক।

মানুষ গুলো জঘন্য। ইতরের শেষ লেভেল এর। এইটা প্রথমবার নয়, এর আগেও এমন হয়েছিলো। গুহা মানবের সভ্যতা ধরে রেখেছে আজও। হয়তো আমার ভাগ্য খারাপ যে আমি একজন ও ভাল কাউকে খুঁজে পাইনি। আমরা টুরিষ্ট হিসেবে ঘুরতে গিয়েছিলাম, তাই হয়তো একেবারে সাধারন দৈনন্দিন জীবনে ব্যাস্ত সিলেটিদের সাথে মেশার সুযোগ হয়নি। হয়তো তারাও ভালো। কিন্তু খুঁজে পাইনি। অর্থাৎ সিলেটে ভালো মানুষের উপস্থিতি, খোঁজার পরিমানের সাথে আপেক্ষিক।

ঢাকা থেকে ৬ টা পোলা আসছে? আসো আমরা ওদের স্বাগতম জানাই। যেভাবে আমাদের সিলেটবাসি স্বাগতম জানালোঃ

১। বদ আচরন হোটেল মালিকদের হোটেল খোঁজার সময়।
২। ফেরার বাস টিকিট কাটার সময় ভালো সিট ইচ্ছা করেই না দেয়া, যদিও ফেরার সময় দেখলাম বাস ভর্তি সিট খালি।
৩। খাবার হোটেল এর অস্বাভাবিক মুল্য (মাছের ক্ষেত্রে)
৪। রিক্সা ওয়ালার অতিরিক্ত ভাড়া আদায়।
৫। সিএনজি ওয়ালা জাফ্লং অ লালাখাল ঘুড়াবে বলে নিয়ে গেলেও শুধু জাফ্লং ঘুরিয়েই পুরো টাকা আদায় এবং অনুশোচনাহিন
৬। ১০০ টাকার ভাড়া ৮০০ টাকা চাওয়া
৭। নৌকা ভাড়া ৩০০ টাকার টা ২৫০০ চাওয়া
৮। ৮ বছরের বাচ্চা কর্তৃক কিডন্যাপ হওয়ার নিশ্চিত সম্ভাবনা
৯। সেই বাচ্চা কর্তৃক পুনরায় ব্যাগ চুরির পায়তারা
১০। উচ্চ মুল্যে ব্ল্যাক এ সিনেমার টিকেট বিক্রি
১১। ৭০০ টাকার খাবার কেনার পরেও প্রচুর ভাংতি থাকা সত্ত্বেও ৫০০ টাকার ভাংতি না দেয়া।
১২। আমরা হোটেল ছেড়ে বাইরে যাবার পর আমাদের রুম অবৈধ কাজে ভাড়া দেয়া
১৩। রাস্তার মানুষজনের ভুল ইনফরমেশন দিয়ে আমাদের বিভ্রান্ত করা।
১৪। বাসে ঘুমিয়ে থাকা সত্ত্বেও আমার পায়ের সামনে কাঁচের টুকরা রাখা, এবং আমার পা কেটে গেলে, আমাকেই দোষারোপ করা
১৫। ফেসবুকে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করায়, আমাদের প্রতি সহানিভুতি না জানিয়ে আমাদের মুর্খ বলে সম্বোধন করা।

একটা এলাকার যত মানুষের সাথে দেখা সাক্ষাত হয়েছে, সবারই আচরন অপছন্দ হয়েছে এবং কারনও আছে। এরপরেও অনেকেই বলছে আমরা ২-১ জনকে দিয়ে সবাইকে জাজ করছি। আমরাও জানি, সিলেটে ভালো মানুষ অবশ্যই আছে। কিন্তু সেটা যদি এতই দুর্লভ হয়, তাহলে সবাইকে গড়পড়তা নিকৃষ্ট বলা ভুল হবে না আমাদের। কিডন্যাপ হইলে অথবা ক্ষতি হইলে তো আর অই ভালো মানুষ গুলো এসে আমাদের বাচাঁতো না। যাই হোক, সিলেটবাসীর প্রতি এই ঘৃনা বেঁচে থাকবে অনেকদিন।

১০০ টা ঘটনা ঘটলে ২-১ টা প্রকাশ পায়। আর আমরা অই ২-১ টা ঘটনা রেফারেন্স হিসেবে নিলেই সবাই বলে ২-১ টা ঘটনা দিয়ে সবাইকে জাজ করা উচিত না। আমরা দেশের সর্বোত্রই নিরাপত্তা চাই। কারন কোনো এলাকাই ওই এলাকাবাসীর নিজস্ব সম্পত্তি নয়। তবে অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য তাদেরকেই দায়বদ্ধতা নিতে হবে। ঢাকাতেও অনেক ঘটোনা ঘটে থাকে। তবে ঢাকায় অন্য এলাকার মানুষ এলে, আমরা তাদেরকে সহায়তা করি। লুটে খাওয়ার পন্য মনে করি না।

Last but not least:

তুমি আমাকে সিলেট মুক্ত বাংলাদেশ দাও, আমি তোমাকে নিরাপদে ভ্রমনের নিশ্চয়তা দেব।



Thursday, September 10, 2015

Unknown Water Falls in Bangladesh (ছবি ব্লগ)

Do Not Ask For Location 




















































Photo Credit: Living With Forest