Showing posts with label sylhet. Show all posts
Showing posts with label sylhet. Show all posts

Saturday, September 17, 2016

Sylhet/সিলেট ট্যুর গাইড (এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন গাইড)

** সিলেট শহর থেকে গোয়াইন ঘাট যেতে হবে সিএনজি করে, ১/১.৫ ঘন্টা লাগবে, ঘাট থেকে মোটর বোটে করে রাতারগুলে যেতে হবে আরো ২/২.৫ ঘন্টা লাগবে, সেইখান থেকে সোয়াম্প ফরেস্টে ঢুকতে হইলে ডিঙ্গি নৌকা করে বনের ভিতরে ঢুকতে হবে। 
রাতারগুল

** পান্থুমাই, সিলেট শহর থেকে এর দূরত্ব ৪০ কিমি, জাফলং দিয়ে না গিয়ে সিলেটের এয়ারপোর্ট রোড হয়ে সালুটিকর হয়ে গেলে পথ কম হবে । ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড়ের নিচে, একেবারে সীমান্ত ঘেঁষা এই গ্রামটি আসলেই অসাধারণ। 


পান্থুমাই

** বিছানাকান্দি যেতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে নগরীর আম্বরখানা পয়েন্ট যেতে হবে। সেখানে বিমানবন্দর রোডের দিকে সিএনজি স্টেশন আছে। সিএনজি হাদারঘাট নামক জায়গা পর্যন্ত রিজার্ভ করে গেলে ভাল হয়। পাঁচজন মিলে ৪০০টাকায় সাধারণত ভাড়া নেওয়া হয়। তবে মানুষ কম থাকলে ৮০টাকা জনপ্রতিও যাওয়া যায়। বিমানবন্দর পর্যন্ত রাস্তা অনেক সুন্দর। বিমানবন্দর থেকে সালুটিকর রাস্তায় প্রবেশ করলেই রাস্তা চরম খারাপ। পিচ ঢালা কালো রাজপথে একটু পরপরই ভাঙ্গা গর্ত। খারাপ রাস্তা পার হয়েই আপনি একদম গ্রামের ভেতর ঢুকে যাবেন। দেখতে আপনি হাদারঘাট এসে পৌছাবেন। হাদারপার বাজারেই বিছানাকান্দি যাওয়ার নৌকা পাওয়া যায়। 


বিছানাকান্দি 

# সিলেটের উল্লেখযোগ্য টুরিস্ট স্পট সমূহ, কিভাবে যাবেন, কিসে যাবেন্‌ ভাড়া কেমন, কোথায় থাকবেন, কি কি প্রয়োজন তার সব বিস্তারিত ভাবে দেয়া আছে এপ্লিকেশনটিতে।

# টুরিস্ট স্পট এর বাইরে সিলেটে আপনি কোথায় থাকবেন, হোটেল, রিসোর্ট কোথায় কি পাওয়া যায়, কোনটী কোন মানের এবং এগুলোর খরচ কেমন, বুকিং সিস্টেম কি সবটাই পাবেন এই এপ্লিকেশনে।

# প্রত্যেকটি হোটেল রিসোর্টের যোগাযোগ নাম্ভার সহ ওয়েব এড্রেস পাবেন এপস টিতে। 

# ঘুরতে গেলেন অথচ সিলেটের মুখরোচক খাবার খাবেন না তা কি হয় :) এপসটিতে সিলেটের জনপ্রিয় সব হোটেলের, লোকেশন, খাবার ম্যেনু সহ সব তথ্য পাবেন।

আশা করি ভালো লাগবে। এপ্স টি ফোণে রাখুন আর বেরিয়ে পড়ুন সিলেটের উদ্দেশ্যে।

এপ্স ডাউনলোড লিঙ্কঃ Sylhet/সিলেট ট্যুর গাইড
এপ্সটি তৈরি করছেঃ Hello Tech

Monday, October 26, 2015

সিলেটে শেষবার

আমাদের একটা ট্যুর পাওনাই ছিল, সেই কবে এক সাথে যাবো যাবো করে ২টা ঈদ পার করলাম, মাঝে রেজোয়ান করলো রাগ ট্যুর নাই কেন বলে। তারপর যেদিন আমাদের ট্যুরের ম্যানেজার ফয়সাল আমাকে ফোন দিয়ে বলে চল ঘুরে আসি তখন তো ট্যুর দেয়া ফরজ হয়ে যায়।

ঘটা করে ট্যুর দেয়া হয়নি এবার। অনেক দিন আগেই সেট করা ছিল প্ল্যান এ, কই যাবো কোথায় যাবো, কোথায় থাকবো, কি খাবো, কি করবো। সাথে করে প্ল্যান বি নিয়ে গিয়েছিলাম।

খুব দ্রুতই ২ টা দিন কেটে গেলো। এবার মজাটা এক ডিগ্রি বেশি হয়ে গেলো। ট্যুর ম্যানেজারের একটা কথা সব সময় মনে থাকবে, "জায়গা হউক যথা তথা, মজা হউক ভালো"।

সেটা ঘুমাবার আগেই হোক, ঘুম থেকে উঠেই হোক, সেটা সিএনজিতে হোক, আর রিক্সায় হোক, অথবা সেটা হতে পারে পানসীতে পান খেতে খেতে, হতে পারে জাফলঙে পানির স্রোতে, আবার হতে পারে বিছানাকান্দি ফেরার বেলায় ট্রাক্টর রাইডে, আবার মজার ঘটনা ঘটতে পারে সিনেমা হলেও। এটা ছিল একটা শিক্ষা সফর, যেখানে কেউ শিখাতে যায় নাই, শিখতে গিয়েছে।

তবে আসল শিক্ষা ছিল আমাদের সিলেট নিয়ে। যতবারই যাই ততবারই সেই অমূল্য শিক্ষা পাই, এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। শেয়ার না করে পারছিনা শিক্ষাগুলা-

- সিলেটবাসি নিরেট নিকৃষ্ট মানুষ।

- নিজেদের সিলোটী ভাষার অপব্যবহার করে আপনার কাছ থেকে ফায়দা আদায় করতে এরা মেলা ওস্তাদ। (আপনি বলছেন ১০০ টাকা, ওরা শুনবে ৮০০ টাকা, না বুঝলে বলবে আপনে বুঝেন নাই, ঠিকই তারা বাংলা বুঝে, কিন্তু টাকার বেলায় বাংলা বুঝে না)।

- সিএনজিওয়ালা/ রিক্সাওয়ালা/ বাসের ড্রাইভার/ হেল্পার/ কন্ট্রাক্টর/ হোটেল মালিক/ হোটেলের ব্যাটা/ সিগেরেট ওয়ালা/ পিচ্চি পোলাপান/ নৌকাওয়ালা/ আবাল বৃদ্ধ বণিতা সব লেভেলের শালা আপনাকে ঠকানোর ধান্দায় থাকবে।

- সিলেটবাসীর ব্যবহার, আচার আচরণ হল সারা বাংলাদেশের মানুষ থেকে নিকৃষ্ট, তাদের মাঝে স্যরি নামক কোন শব্দ ডিকশনারিতে নাই।

- আমি বান্দরবন বান্দরবন/ চট্রগ্রাম কেন করি? কারন সেখানকার মানুষ হল মাটির মানুষ। আর সিলেটের মানুষের রক্তে সমস্যা আছে। মানুষকে ঠকিয়ে ২/৪ দিন চলা যায় আজীবন না। আজকে আমার থেকে একশ মানুষ জানবে তাদের বাটপারির কথা, একশ থেকে এক হাজার আর এক হাজার থেকে এক লাখ.. চলবেই। আর তাদের বাটপারী শুধু দেশেই নয়, বিদেশের মাটিতেও বজায় রেখেছে।

- এবং সিলেটে এইবারই আমাদের সবার লাস্ট ট্রিপ হয়ে গেলো, দেখার আর কিছুই নাই। সবচেয়ে জঘন্য জাত সিলেটজাত।

আমার কথাগুলো সম্পুর্ন ব্যাক্তিগত, এখানে তেনা প্যাঁচানো/চিকা মারা নিষেধ।


রেজোয়ানের কিছু কথা শেয়ার করা দরকারঃ

আর জীবনেও সিলেট যাচ্ছি না। এই না যাওয়া শুধুই সিলেটবাসিদের উপর অভিমান করে। আমি আগে আফসোস করতাম, ইসস যদি ওই পাশের সবুজ পাহাড় গুলো ইন্ডিয়ার না হয়ে আমাদের হতো !! এখন মনে মনে শান্তি পাই, যাক! ওরা ভালো আছে। আমাদের হলে আজ পাহাড় গুলো সবুজ থাকতো না। লাল মাটির স্তুপ হয়ে বিভৎস দেখাতো। আর আমাদের মধ্যে যারা টুরিষ্ট/ট্রাভেলার আছেন, তারা সব জায়গায় গিয়ে চিপ্সের প্যাকেট, সিগারেটের প্যাকেট, পলিথিন ফেলে আসেন। তারা ঢাকাতেই থাকুন। নোংরা হলে একটা শহরই হোক।

মানুষ গুলো জঘন্য। ইতরের শেষ লেভেল এর। এইটা প্রথমবার নয়, এর আগেও এমন হয়েছিলো। গুহা মানবের সভ্যতা ধরে রেখেছে আজও। হয়তো আমার ভাগ্য খারাপ যে আমি একজন ও ভাল কাউকে খুঁজে পাইনি। আমরা টুরিষ্ট হিসেবে ঘুরতে গিয়েছিলাম, তাই হয়তো একেবারে সাধারন দৈনন্দিন জীবনে ব্যাস্ত সিলেটিদের সাথে মেশার সুযোগ হয়নি। হয়তো তারাও ভালো। কিন্তু খুঁজে পাইনি। অর্থাৎ সিলেটে ভালো মানুষের উপস্থিতি, খোঁজার পরিমানের সাথে আপেক্ষিক।

ঢাকা থেকে ৬ টা পোলা আসছে? আসো আমরা ওদের স্বাগতম জানাই। যেভাবে আমাদের সিলেটবাসি স্বাগতম জানালোঃ

১। বদ আচরন হোটেল মালিকদের হোটেল খোঁজার সময়।
২। ফেরার বাস টিকিট কাটার সময় ভালো সিট ইচ্ছা করেই না দেয়া, যদিও ফেরার সময় দেখলাম বাস ভর্তি সিট খালি।
৩। খাবার হোটেল এর অস্বাভাবিক মুল্য (মাছের ক্ষেত্রে)
৪। রিক্সা ওয়ালার অতিরিক্ত ভাড়া আদায়।
৫। সিএনজি ওয়ালা জাফ্লং অ লালাখাল ঘুড়াবে বলে নিয়ে গেলেও শুধু জাফ্লং ঘুরিয়েই পুরো টাকা আদায় এবং অনুশোচনাহিন
৬। ১০০ টাকার ভাড়া ৮০০ টাকা চাওয়া
৭। নৌকা ভাড়া ৩০০ টাকার টা ২৫০০ চাওয়া
৮। ৮ বছরের বাচ্চা কর্তৃক কিডন্যাপ হওয়ার নিশ্চিত সম্ভাবনা
৯। সেই বাচ্চা কর্তৃক পুনরায় ব্যাগ চুরির পায়তারা
১০। উচ্চ মুল্যে ব্ল্যাক এ সিনেমার টিকেট বিক্রি
১১। ৭০০ টাকার খাবার কেনার পরেও প্রচুর ভাংতি থাকা সত্ত্বেও ৫০০ টাকার ভাংতি না দেয়া।
১২। আমরা হোটেল ছেড়ে বাইরে যাবার পর আমাদের রুম অবৈধ কাজে ভাড়া দেয়া
১৩। রাস্তার মানুষজনের ভুল ইনফরমেশন দিয়ে আমাদের বিভ্রান্ত করা।
১৪। বাসে ঘুমিয়ে থাকা সত্ত্বেও আমার পায়ের সামনে কাঁচের টুকরা রাখা, এবং আমার পা কেটে গেলে, আমাকেই দোষারোপ করা
১৫। ফেসবুকে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করায়, আমাদের প্রতি সহানিভুতি না জানিয়ে আমাদের মুর্খ বলে সম্বোধন করা।

একটা এলাকার যত মানুষের সাথে দেখা সাক্ষাত হয়েছে, সবারই আচরন অপছন্দ হয়েছে এবং কারনও আছে। এরপরেও অনেকেই বলছে আমরা ২-১ জনকে দিয়ে সবাইকে জাজ করছি। আমরাও জানি, সিলেটে ভালো মানুষ অবশ্যই আছে। কিন্তু সেটা যদি এতই দুর্লভ হয়, তাহলে সবাইকে গড়পড়তা নিকৃষ্ট বলা ভুল হবে না আমাদের। কিডন্যাপ হইলে অথবা ক্ষতি হইলে তো আর অই ভালো মানুষ গুলো এসে আমাদের বাচাঁতো না। যাই হোক, সিলেটবাসীর প্রতি এই ঘৃনা বেঁচে থাকবে অনেকদিন।

১০০ টা ঘটনা ঘটলে ২-১ টা প্রকাশ পায়। আর আমরা অই ২-১ টা ঘটনা রেফারেন্স হিসেবে নিলেই সবাই বলে ২-১ টা ঘটনা দিয়ে সবাইকে জাজ করা উচিত না। আমরা দেশের সর্বোত্রই নিরাপত্তা চাই। কারন কোনো এলাকাই ওই এলাকাবাসীর নিজস্ব সম্পত্তি নয়। তবে অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য তাদেরকেই দায়বদ্ধতা নিতে হবে। ঢাকাতেও অনেক ঘটোনা ঘটে থাকে। তবে ঢাকায় অন্য এলাকার মানুষ এলে, আমরা তাদেরকে সহায়তা করি। লুটে খাওয়ার পন্য মনে করি না।

Last but not least:

তুমি আমাকে সিলেট মুক্ত বাংলাদেশ দাও, আমি তোমাকে নিরাপদে ভ্রমনের নিশ্চয়তা দেব।



Friday, September 4, 2015

লোভাছড়া, সিলেট


উত্তর-পূর্ব থেকে উত্তর পশ্চিম পর্যন্ত সিলেটকে ঘিরে রাখা মেঘালয় পাহাড়শ্রেনীর পূর্ব অংশে কানাইঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চল লোভাছড়া। লোভাছড়া মুলতঃ একটি পাথর কোয়ারী, এ ছাড়া এখানে অনেক পুরনো একটি চাবাগান রয়েছে। 

লোভাছড়া যেতে হলে পর্যটকদের প্রথমে যেতে হবে কানাইঘাট উপজেলা সদরে। সিলেট নগরী থেকে কানাইঘাট যাওয়ার কয়েকটি পথ আছে। সিলেট জাফলং মহাসড়কের উপর দরবস্ত বাজার থেকে হাতের ডান দিকে রাস্তা চলে গেছে কানাইঘাট পর্যন্ত। মাইক্রোতে ঘন্টা দেড়েক এর মতো সময় লাগবে। এই রাস্তাটি ও সুন্দর। বামদিকে জৈন্তিয়া পাহাড়ের সারি । কানাইঘাট উপজেলা সদর সুরমা নদীর তীরে। নদীরঘাট থেকে নৌকা নিয়ে যাত্রা শুরু করতে হয় লোভাছড়ার দিকে। নৌকা এগুতে থাকে পূর্ব দিকে। একটা পয়েন্টে এসে নৌকা পড়বে তিন নদীর মোহনায়। দক্ষিন থেকে এসেছে বরাক, উত্তর থেকে লোভা। এই দুই নদী মিশে সুরমা হিসেবে চলে গেছে পশ্চিমে। এই মোহনায় এসে নৌকা প্রবেশ করে স্বচ্ছ পানির নদী ‘লোভা’য়। 

লোভা নদীর স্বচ্ছ কাঁচের মতো পানিতে দূরবর্তী পাহাড় সারির ছায়া এক মোহময় দৃশ্যের জন্ম দেয়। নদীর তীর থেকে উঁচু পাহাড়ের ঢাল পর্যন্ত বিস্তৃত লোভাছড়া চা বাগান। এই বাগানে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সময় ধ্বংসপ্রাপ্ত ফ্যাক্টরী। বাগান কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে পুরনো বাংলো দেখা আবশ্যক পর্যটকদের জন্য। বেশ উঁচু পাহাড়ের উপর নির্মিত এই বাংলোটি ‘ফার্গুসন’ এর বাংলো নামে পরিচিত। ফার্গুসন পরিবার এর হাতেই এই চাবাগানের পত্তন হয়েছিলো। 

এছাড়া সীমান্তরক্ষীদের অনুমতিসাপেক্ষের লোভা নদীর উৎসমুখে গেলে পর্যটকদের চোখে পড়বে সীমান্তের ওপাড়ে দুই পাহাড়ের সংযোগকারী দীর্ঘ ঝুলন্ত ব্রীজ। 

কানাইঘাট থেকে লোভাছড়া নৌকায় যেতে সময় লাগবে প্রায় দেড়ঘণ্টা।


Lovachora is a bordering area from Kanaighat Upazilla in the eastern part of Sylhet district, which is somewhat fortified from northeast to northwest by the Meghalayan ranges. It is essentially a quarry where stones and boulders are mined, besides an age-old tea garden.

The shades of far-flung hills falling on the crystal clear streams of the Lova make for a heavenly sight.



Visit to Lovachora involves with a boat journey from Kanaighat Sodor. As the boat moves east, it will soon reach the confluence of three rivers. Flowing respectively from the south and north, the Borak and the Lova meet at one point, assume the name Surma and flow west towards Sylhet city. 

The shades of far-flung hills falling on the crystal clear streams of the Lova make for a heavenly sight. The Lovachora Tea Garden is spread over a wide area from the river bank to the slopes of the hills. Still preserved in the garden is a tea factory ravaged in the War of Liberation in 1971. Together with an antique cottage, it is a must-see for visitors. The hilltop cottage is popularly known as Fergusson Bungalow, named after the Fergusson family who set up the tea garden. 

What’s more, subject to the permission from the border patrol force BGB, tourists can go to the source of the Lova and see the hanging bridge which connects two hills on the other side of the border.


How to go there?

One has to go to Kanaighat Upazilla Sadar first to reach Lovachora. Different routes can be taken to go to Kanaighat from Sylhet. One option would be to use the Sylhet-Jaflong Highway and take a right turn at Dorbosth Bazaar. The one-and-a-half-hour drive itself is an attraction in its own right. On the left are rows of the Jainta hills. Upon reaching Kanaighat Upazilla Sadar, which is on the bank of the Surma, tourists can hire a boat to go to Lovachora. 

The boat ride from Kanaighat to Lovachora takes an hour and a half.

Where to stay?

There is no accommodation facilities in Lovachora. If needed may stay at local hotel in Kanaighat.

Where to eat?

There is no Dining facility in Kanaighat. But may have some local food at Kanaighat Bazar

Information you need to know?

After crossing the Tea garden, it is extreme border of Bangladesh- India. Very often there are BGB petrol team. Without their permission its not wise to go further. . At Monsoon sometimes it may affected by flush flood. So getting weather information is advisable. 

There is no police station Lovachora . As it is under Kanaighat Thana Of Sylhet District for any help need to call UNO- 01911737922

  



Wednesday, August 19, 2015

লাউয়াছড়া, সিলেট


ছোট্ট শহর শ্রীমঙ্গল। দৃষ্টিজুড়ে সবুজ, উটের পিঠের মতোন টিলা আর মনোরম চা বাগান- কোন স্থান ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে মেলে ধরবার জন্য যথেষ্ট। আরও যা রয়েছে তা হচ্ছে লাউয়াছড়া বন যা এক কথায় অনবদ্য। রেইন ফরেষ্ট হিসেবে খ্যাত এই বনে রয়েছে হরেক প্রজাতির বন্যপ্রাণী আর বৃক্ষাদি। রয়েছে ১৬৭ প্রজাতির বৃক্ষরাজি।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান শ্রীমঙ্গল হতে মাত্র ১০ কিঃমিঃ আর ঢাকা থেকে ১৯৬ কিঃমিঃ। এর  আয়তন ১২৫০ হেক্টর।

বিরল প্রজাতির উল্লুকের বাস এখানে। মোট ১৬টি উল্লুক পরিবার হাজারো পর্যটকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। উল্লুক গিবনস্ লেজ বিহীন বন্য প্রাণী, অনেকটা বানরের মত। ভারত, চায়না, মায়ানমার এবং বাংলাদেশসহ ৪টি দেশে ওদের প্রজাতি সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করছে। আর কোন দেশে উল্লুকের বসবাসের তথ্য পাওয়া যায়নি। উল্লুক সাধারণত পরিবারবদ্ধ হয়ে কমপক্ষে ২ থেকে ৫ সদস্য মিলে বসবাস করে। পুরুষ উল্লুক কালো রঙের এবং মহিলারা হয়ে থাকে সাদা ও বাদামী মিশ্রিত। উল্লুক পাহাড়ের উচু ও বড় বড় গাছের ডালে বাস করে। সব চেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে উল্লূকের হই হুল্লা ডাক। অনেক দুর থেকে শুনা যায় উল্লুকের ধ্বনি। যা চুম্বকার্ষনের মতই টেনে নেয় পর্যটকদের।

এছাড়াও এই বনের উল্লেখযোগ্য প্রাণীর মধ্যে রয়েছে বানর, চশমা বানর, মুখপোড়া হনুমান, লজ্জাবতী বানর, মায়া হরিণ, বন্য শুকর ইত্যাদি। ২৪৬ প্রজাতির পাখি রয়েছে। এরমধ্যে ৮ প্রজাতির সুচক পাখিও আছে। সুচক পাখির মধ্যে ভিমরাজ, পাহাড়ী ময়না, কাওধনেস, বন মোরগ, ফোঁটা কন্টি সাতভায়লা এবং শ্যামা। লাউয়াছড়ার নৈসর্গিক দৃশ্য আর একটানা ঝিঁঝিঁ পোকার গুঞ্জন সত্যিই প্রশান্তি দেয় চোখ আর মনের।

শুধু কি তাই? বিভিন্ন ধরণের হরিণ হয়তো অনেকেই দেখেছেন, কিন্তু মায়া হরিণ! হ্যাঁ, মায়া হরিণ অবলোকন করতে হলেও লাউয়াছড়া। ভোরে লাউয়াছড়ার ফুট ট্রেইলে হাটতে থাকুন। চারদিকে র্নিঝুম আর নির্জনতা ভেদ করে পাহাড়ের মধ্য থেকে ভেসে আসবে মায়া হরিণের ডাক! ভয়ের কিছু নেই, শব্দগুলো পাহাড়ের গায়ে প্রতিধ্বনিত হয়ে পর্যটকদের কর্ণকুহরে মায়াময়ী ইন্দ্র জালের সৃষ্টি করবে। হয়তো শরীরটা খানিক ছমছম করতে পারে, লাগতে পারে রোমাঞ্চ!


লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের গা ঘেষা রয়েছে ৩টি আদিবাসী পল্লী। আদিবাসি ২টি খাসিয়া ( মাগুরছড়া ও লাউয়াছড়া) ও ১টি ত্রিপুরাদের পাড়া। আদিবাসীদের জীবনযাত্রা সাধারণত পাহাড়ী কৃষ্টি কালচারের মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠে যা সাধারনের থেকে অনেক আলাদা। আদিবাসিদের জীবনযাত্রা, কৃষ্টি, ঐতিহ্য ইত্যাদি দেখাও পর্যটকদের জন্য বাড়তি পাওনা।


জীব বৈচিত্র্য

মাত্র ২৭৪০ হেক্টরের আয়তন হলেও জঙ্গলটির জীববৈচিত্র্য বিস্ময়কর রকমের সমৃদ্ধ। এখানে প্রায় ১৫৯ রকমের গাছগাছড়া পাওয়া যায়, পাওয়া যায় ধনেশ, বন মোরগ, হরিয়াল সহ প্রায় ১২০ রকমের পাখি। স্তন্যপায়ীদের মধ্যে আছে লজ্জাবতী বানর, আসামী বানর, শূকর লেজী বানর সহ ৬ প্রজাতির বানর, কমলা পেট কাঠবেড়ালী, খাটাশ, বন বেড়াল, সোনালী শেয়াল,শূকর, মায়া হরিণ, নানা রকম সরিসৃপ ও সাপ। তবে এখানকার সেরা আকর্ষন হতে পারে উল্লুক, মাত্র ৭০ টির মত আছে এই জঙ্গলে এরা, এবং উপমহাদেশে উল্লুকের সব থেকে বড় জনসংখ্যা এটি। বিপন্ন এই প্রাণিটির দেখা পাওয়া অবশ্য ভাগ্যের ব্যাপার। পূর্বে এই জঙ্গলে বাঘ, চিতাবাঘ, শম্বর হরিণ প্রভৃতি দেখা যেত, ৭০ এর দশকের শুরুতেই এরা সংরক্ষণের অভাবে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে।


যেভাবে যাবেন : 


প্রথমে যেতে হবে শ্রীমঙ্গল । শ্যামলী হানিফ বাস ভাড়া ৩২০ টাকা । শ্যামলী ১ ঘণ্টা পর পর বাস আছে রাত ৯ :৩০ পর্যন্ত । হানিফ এর শেষ বাস ১১ :২০ । 
ট্রেন পারাবত সকাল ৬:৪৫ , জয়েন্তিকা ২:০০ , উপবন রাত ১০:০০ 


কোথায় থাকবেন : 

ট্রেন বা বাস যা দিয়ে জান না কেন , নামার পর সামনে হাঁটুন অনেক হোটেল আসে। 

ডবল রুম ৪০০-৬০০ , , ৬-৮ জন হলে ১ টা বড় রুম নিতে পারেন হোটেল টি টাউন , হোটেল ইউনাইটেড ভাড়া ১১০০-১৩০০, পরিবারসহ গেলে হোটেল প্লাজা তে থাকে পারেন , ফোন ০১৭১১৩৯০০৩৯ 



কিভাবে যাবেন লাউয়াছড়া : 

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানটি সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। ঢাকা থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১৯৬ কিলোমিটার,  সিলেট শহর থেকে দূরত্ব হবে প্রায় ৬০ কিলোমিটার।

সিএনজি করে যেতে পারেন যাওয়া আসা ঘণ্টা খানিক থাকা ৬০০ এর কম না। জিপ এ গেলে ভাড়া বেশী। বাস এ যেতে হলে রিক্সা করে চলে আসুন ভানুগাছা রোড বাস স্ট্যান্ড , সেখান থেকে বাস ভাড়া ১০ টাকা করে। 

যে বিষয়গুলো মনে রাখবেন

১। জঙ্গলে যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলবেন না, এই উদ্যান আমাদের জাতীয় সম্পত্তি, এর রক্ষণাবেক্ষণ ও আমাদের দায়িত্ব

২। উচ্চস্বরে গান বাজনা করবেন না, কথা বলবেন না। জঙ্গলের পশুপাখিদের নিজস্ব জগত আছে, আপনার সরব উপস্থিতি দিয়ে নিশ্চয় তাতে ব্যাঘাত সৃষ্টি করা ঠিক হবেনা।

৩। শীতকাল ছাড়া অন্য সময় গেলে খুব সাবধানে থাকবেন, এই জঙ্গলে প্রচণ্ড জোকের উতপাত, জুতা পরে জঙ্গলে ঢোকা শ্রেয়। ঘাড়, হাত, পা এ সতর্ক নজর রাখবেন, বিশেষ করে ছড়ার আশেপাশে জোক বেশি থাকে। জোক কামড়ালে টেনে ছাড়াতে যাবেন না, লবণ সাথে রাখবেন, লবণ ছিটিয়ে দিলেই কাজ হবে। লবণ না থাকলে সিগারেটের তামাকেও কাজ চালাতে পারেন

৪। সাপের ব্যাপারে খেয়াল রাখবেন

৫। জঙ্গলে দুর্বৃত্ত শ্রেণীর কিছু লোক থাকে, এরা বন্য প্রাণি দেখানোর কথা বলে জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে যেয়ে ছিনতাই করে, এদের ডাকে সাড়া দেবেন না

৬। জঙ্গলের ভেতরের রেল লাইন ধরে হাঁটাহাঁটি না করাই ভাল, কিছুক্ষণ পর পর ট্রেন যাতায়াত করে এই রেলপথ দিয়ে, অসতর্ক থাকলে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।


On the Vanugach-Komalganj Road about seven kilometres from Sreemongol town is the entry to Lauachora National Garden. It is an evergreen rainforest with excessive precipitation. Tall trees with their lofty branches and soaring foliage make for a unique cover for the forest on a sunny day. Lauachora is one of the seven safari parks and 10 national gardens in Bangladesh. An area of 1,250 hectares from the 2,740-hectare West Vanugach Reserve Forest was declared a national garden in 1996.

This forest is a sanctuary for rare species of plants and animals that include endangered species of hoolok gibbon, phayre’s langur, as well as a wide variety of apes, cats and snakes including pythons, in addition to parrots, magpies and many other birds.



Upon payment of a certain amount of fee, one can visit the forest. There are 30-minute, one-hour and three-hour trails that can be walked with the help of trained guides. A wide variety of plants, orchids, insects, birds and other animals can be seen. 

Even though it is not very large in size, this forest is a sanctuary for rare species of plants and animals that include endangered species of hoolok gibbon, phayre’s langur, as well as a wide variety of apes, cats and snakes including pythons, in addition to parrots, magpies and many other birds.

Another Luxurious Resort Dusai also not far. 

There are a good no of Guest houses and cottages are available around Lawachera.



How to go there?

Lawachera is easily accessible from sreemongol town by own drive or cng auto rickshaw. Tourist may come to sreemongol from Dhaka or Sylhet by car or train.

Where to stay?

‘Grand Sultan Tea Resort & Golf’ is a luxurious accommodation provider near Lawachera. 

Where to eat?

At the Lawachera - Sreemongol road there are restaurants from budget to luxurious. 'Kutumbari Restaurant' in the main town is one of them.

Information you need to know?

Tourist are suggested to enter in the forest with professional guides and follow their suggestions.

Thursday, July 16, 2015

লালাখাল, সিলেট


মেঘালয় পর্বত শ্রেনীর সবচেয়ে পুর্বের অংশ জৈন্তিয়া হিলসের ঠিক নীচে পাহাড়, প্রাকৃতিক বন, চা বাগান ও নদীঘেরা একটি গ্রাম লালাখাল, সিলেট জেলার জৈন্তিয়াপুর উপজেলায়। জৈন্তিয়া হিলসের ভারতীয় অংশ থেকে মাইন্ডু ( Myntdu) নদী লালাখালের সীমান্তের কাছেই সারী নদী নামে প্রবেশ করেছে এবং ভাটির দিকে সারীঘাট পেরিয়ে গোয়াইন নদীর সাথে মিশেছে। লালাখাল থেকে সারীঘাট পর্যন্ত নদীর বারো কিমি পানির রঙ পান্না সবুজ- পুরো শীতকাল এবং অন্যান্য সময় বৃষ্টি না হলে এই রঙ থাকে। মুলতঃ জৈন্তিয়া পাহাড় থেকে আসা প্রবাহমান পানির সাথে মিশে থাকা খনিজ এবং কাদার পরিবর্তে নদীর বালুময় তলদেশের কারনেই এই নদীর পানির রঙ এরকম দেখায়। 

সিলেট জাফলং মহাসড়কে শহর থেকে প্রায় ৪২ কিমি দূরে সারীঘাট। সারীঘাট থেকে সাধারনতঃ নৌকা নিয়ে পর্যটকরা লালাখাল যান। স্থানীয় ইঞ্জিনচালিত নৌকায় একঘন্টা পনেরো মিনিটের মতো সময় লাগে সারী নদীর উৎসমুখ পর্যন্ত যেতে। নদীর পানির পান্না সবুজ রঙ আর দুইপাশের পাহাড় সারির ছায়া- পর্যটকদের মুগ্ধ করে। উৎসমুখের কাছাকাছিই রয়েছে লালাখাল চা বাগান। 

সারীঘাটে নাজিমগড় রিসোর্টসের একটি বোট স্টেশন আছে। এখান থেকে ও বিভিন্ন ধরনের ইঞ্জিন চালিত নৌকা নিয়ে লালাখাল যাওয়া যায়। লালাখালে সারী নদীর তীরে নাজিমগড়ের একটি মনোরম রেস্টুরেন্ট রয়েছে- ‘রিভার কুইন’ । সব অতিথিদের জন্যই এটি উন্মুক্ত। রিভারকুইন রেস্টুরেন্টের পাশেই রয়েছে ‘এডভেঞ্চার টেন্ট ক্যাম্প ‘ । এডভেঞ্চার প্রিয় পর্যটকরা এখানে রাত্রিযাপন করতে পারেন। নদীপেরিয়ে লালাখাল চা বাগানের ভেতর দিয়ে রয়েছে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা হাঁটার পথ ( ট্রেকিং ট্রেইল) 

এ ছাড়া পেছনে পাহাড়ের ঢাল ও চুঁড়োয় গড়ে উঠেছে নাজিমগড়ের বিলাসবহুল নতুন রিসোর্ট ‘ওয়াইল্ডারনেস’। আবাসিক অতিথি ছাড়া এখানে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত। 

সরাসরি গাড়ী নিয়ে ও লালাখাল যাওয়া যায়। সারী ব্রীজ় পেরিয়ে একটু সামনেই রাস্তার মাঝখানে একটি পুরনো স্থাপনা।এটি ছিলো জৈন্তিয়া রাজ্যের রাজকুমারী ইরাবতীর নামে একটি পান্থশালা। এর পাশ দিয়ে হাতের ডানের রাস্তায় ঢুকে সাত কিমি গেলেই লালাখাল। লালাখাল এ রিভার কুইন রেস্টুরেন্ট এর সামনে থেকে ও নৌকা নিয়ে জিরোপয়েন্ট ঘুরে আসা যায়। 

সিলেট শহর থেকে লালাখাল পর্যন্ত ৬-৮ জন বহনকারী মাইক্রো ভাড়া হতে পারে ৩৫০০ - ৪০০০ টাকার মধ্যে। ৯-১২ জন বহনকারী মাইক্রো ভাড়া হতে পারে ৪৫০০ - ৫,৫০০ টাকার মধ্যে। শুক্রবার হলে আরেকটু বেশী ও হতে পারে। 

সারীঘাট থেকে স্থানীয় নৌকা নিয়ে লালাখাল যেতে খরচ পড়বে ১০০০-১৫০০ টাকার মতো খরচ পড়ে। আর নাজিমগড় বোট স্টেশনের বিশেষায়িত নৌকাগুলোর ভাড়া ২০০০-৫০০০ টাকা পর্যন্ত। গাড়ী নিয়ে লালাখাল চলে গেলে রিভারকুইন রেস্টুরেন্ট থেকে আধাঘন্টার জন্য নৌকা ভাড়া পড়বে ৫০০ টাকা। দুপুরের খাবার প্রতিজন ৪০০-৫০০ টাকা।


Lalakhal,which is another top tourist attraction in Jaintapur Upazilla, is covered with hills, natural forests, tea gardens, and rivers under the Jainta Hill which comprises part of the Meghalaya Ranges of India. Flowing from the Indian part, the river Myntdu enters Lalakhal as the Saree and meets the river Guaiyan after passing Sarighat. Over a stretch of nearly 12 km of the river from Lalakhal to Sarighat, the colour of the water stays transparent green in winter (as well as in other seasons when it does not rain) due to the minerals flowing with water and the sandy river bed.

A tourist can experience green water river, Range of mountain and Tea Garden- at once in Lalakhal.
At the eastern bank of river Saree, there is the ‘Lalakhal Tea Garden’. 

A tourist can experience green water river, Range of mountain and Tea Garden- at once in Lalakhal.

How to go there?

Tourists usually travel to Sarighat, which is 42 km away from Sylhet city centre, by road and then hire a boat to reach Lalakhal. The one-and-a-quarter hour (mechanised-) boat ride over this crystal green water with lush green hills on both sides of the river is a soothing sight for any nature lovers. 

There is a boat station in Sarighat operated by Nazimgarh Resort. Different types of mechanised boats can be hired from there to travel to Lalakhal. 

It is also possible to go to Lalakhal by Micro Bus or Private car. Not far from the Sari Bridge is an old structure which used to be a tavern named after ‘Iraboti’, the princess of the Jainta Province,in the middle of the road. Lalakhal is just 7 km away from this landmark. Tourists can embark on a journey to the Zero Point by boat from the River Queen restaurant. A microbus can be rented for 3500-5500 BDT depending on its size and make, though it would cost more at the weekend (especially on Fridays). 

Locally made mechanised boats may be hired from Sarighat about 1200-1500 BDT while the special boats of Nazimgarh Boat Station would cost 2000-5000 BDT. 

A half-an-hour boat ride from the River Queen restaurant (Lalakhal) costs 500 BDT.

Where to stay?

Nazimgarh Resorts operates ‘Adventure Tent Camp’ in Lalakhal which is open to tourist during Winter. 

Apart that, Nazimgarh has a world class nature Resort Wilderness in Lalakhal.

Where to eat?

Nazimgarh Resort runs a cosy restaurant named River Queen located on the bank of the Sari and open to all tourists. Lunch costs about 400-500 BDT per person.

Information you need to know?

Lalakhal is place, Tourist may visit in winter and monsoon both season. During winter may enjoy the serenity of Saree river, where monsoon offers the eternal greenery and cloud drench mountains. 

There is no police station in Lalakhal. As it is under Jainitapur Thana Of Sylhet District for any help need to call Officer In In charge- 01713374377, UNO- 01730331037.

visitsylhet.com

visitsylhet.com

visitsylhet.com