Showing posts with label visit visa. Show all posts
Showing posts with label visit visa. Show all posts

Tuesday, March 19, 2013

বিনা ভিসা / On Arrival ভিসায় ভ্র্রমন করা যাবে যে দেশে


একটা সময় ছিল যখন ঈদের ছুটি মানেই আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সময় কাটানো বা ঘোরাঘুরি। যুগ পাল্টেছে। এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের মাটিতে ঈদের ছুটি কাটাতে যাচ্ছে এদেশের মানুষ। এ তালিকায় রয়েছে সেসব দেশের নাম ও দরকারী তথ্য যেখানে বিনা ভিসা বা অন অ্যারাইভেলে যাওয়া যায়। 


ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে:

এশিয়া মাহাদেশের মধ্যে ভুটান (যত দিন ইচ্ছা)
শ্রীলংকা (৩০ দিন) আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে কেনিয়া (৩ মাস)
মালাউই (৯০ দিন)
সেশেল (১ মাস)


আমেরিকা মাহাদেশের মধ্যে ডোমিনিকা (২১ দিন)
হাইতি (৩ মাস)
গ্রানাডা (৩ মাস)
সেন্ট কিট্স এ্যান্ড নেভিস (৩ মাস)
সেন্ড ভিনসেন্ট ও গ্রানাডাউন দ্বীপপুঞ্জ (১ মাস)
টার্কস ও কেইকোস দ্বীপপুঞ্জ (৩০ দিন)
মন্টসের্রাট (৩ মাস)
ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপমালা (৩০ দিন)


ওশেনিয়া মাহাদেশের মধ্যে ফিজি (৬ মাস)
কুক দ্বীপপুঞ্জ (৩১ দিন)
নাউরু (৩০ দিন)
পালাউ (৩০ দিন)
সামোয়া (৬০ দিন)
টুভালু (১ মাস)
নুউ (৩০ দিন)
ভানুয়াটু (৩০ দিন)
মাক্রোনেশিয়া তিলপারাষ্ট্র (৩০ দিন) অন্যতম।


এছাড়াও যেসব দেশে প্রবেশের সময় (On Arrival) ভিসা পাওয়া যাবে সেগুলো হচ্ছে:

 

• এশিয়ার মধ্যে আজারবাইজান (৩০ দিনফি ১০০ ডলার)
• জর্জিয়া (৩ মাস)
• 
লাউস (৩০ দিনফি ৩০ ডলার)
• 
মালদ্বীপ(৩০ দিন)
• 
মাকাউ (৩০ দিন)
• 
নেপাল (৬০ দিনফি ৩০ ডলার)
• 
সিরিয়া (১৫ দিন)
• 
পূর্ব তিমুর (৩০ দিনফি ৩০ ডলার)




আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে বুরুন্ডি, কেপ ভার্দ, কোমোরোস, জিবুতি (১ মাস, ফি ৫০০ জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক)
মাদাগাস্কার (৯০ দিন, ফ্রি ১,৪০,০০০ এমজিএ)
মোজাম্বিক (৩০ দিন, ফি ২৫ ডলার)
টোগো (৭ দিন, ফি ৩৫,০০০ এক্সডিএফ)
উগান্ডা (৩ মাস, ফি ৩০ ডলার)।

তবে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট রওনা হবার সময় কিছু সুযোগ সন্ধানী অফিসার ভিসা নেই বা আপনার সমস্যা হবে এই মর্মে হয়রানি করতে পারে টু-পাই কামানোর জন্য। কেউ এসব দেশে বেড়াতে যেতে চাইলে টিকিট কেনার সময় আরো তথ্য জেনে নিতে পারেন। আর আপনার কাছে ফিরতি টিকেট ও হোটেল বুকিং এর কাগজ অবশ্যই থাকতে হবে।

Thanks to Momin Shagor. Travel In Bangladesh. 

Sunday, February 17, 2013

প্রথম বার নেপাল ভ্রমন টিপস

বেশ কয়েকজনের কাছে জানতে পারলাম নেপাল যাওয়ার টিকেটের সময় ট্রাভেল এজেন্টরা ভয় দেখাচ্ছে হোটেল বুকিং না দিয়ে গেলে নাকি এয়ারপোর্ট থেকে ফেরত পাঠাবে কাঠমান্ডুতে। তাও আবার ২/৩ তারা মার্কা হোটেলে বুকিং..... যতদুর সম্ভব এইসব ট্রাভেল এজেন্ট বেশি লাভের আশায় এই কাজটা করছে।

 কিছু টিপস:
  
অাকাশ পথে নেপাল:

১। ভিসা:  নেপালে বাই এয়ার গেলে অন এরাইভাল ভিসা পাবেন, অর্থাৎ কাঠমান্ডু এয়ারপোর্টে একটা ফর্ম ফিলাপ করে ওরা আপনার পাসপোর্টে সিল মেরে দিবে। সার্ক (বাংলাদেশ) দেশ সমুহের নাগরিক দের জন্য বছরে প্রথমবার কোন ভিসা ফি লাগবে না, অর্থাৎ একই বছর দ্বিতীয়বার ভ্রমনের জণ্য ভিসা ফি লাগবে। ভিসা ফি- LINK
  


 ২। কাঠমান্ডুর থামেল এলাকাটি টুরিস্টদের জন্য, থামেলের রাস্তার যেদিকে তাকাবেন সেদিকেই হোটেল পাবেন, চিৎকাইত মার্কা থেকে ৩/৪ তারা সবই পাবেন। হোটেল বাংলাদেশের চেয়ে সস্তা। ৫০০-৬০০ রুপিতে তে মোটামোটি চলনসই রুম, আর ১০০০ রুপি তে ভালো বাথটাব সহ রুম পাবেন। কাঠমান্ডুতে বেশিরভাগ সময় বিদ্যূত থাকে না, দেখে নিবেন হোটেলে জেনারেটর সুবিধা আছে কিনা। চিপা গলির ভেতর ও ভালো হোটেল পাবেন সস্থায়।


 ৩। এয়ারপোর্ট থেকে থামেল ট্যাক্সি করে যাবেন, ভাড়া নির্ধারিত। আর কোন তাড়া না থাকলে ম্যাপ দেখে হেটে হেটে যাবেন, কিন্তু অনেক দুর।

 ৪।কেনাকাটা:  থামেল এ অসংখ্য আউটডোর গিয়ারের দোকান পাবেন, খুব সাবধান, ৯৯ ভাগ দোকানেও যেসব ব্রান্ডেড পন্য দেখবেন সবই নকল। আসল গিয়ার কিনতে হলে তাদের ব্রান্ড শোরুমে যাবেন, নর্থফেস, ডয়টার, ব্ল্যাক ডাইমন্ড ইত্যাদির বড় শোরুম আছে। 
  
·      ৪০০০-৬০০০ এ যেসব নর্থফেস, ডয়টার, মাউন্টেন হার্ডউয়ার, জ্যাক উল্ফস্কিন ব্যাকপ্যাক পাবেন তা চোখ বন্ধ করে নির্ধিধায় ধরে নিবেন নকল। চাইনিজ ভালো ব্যাকপ্যাক পাবেন খুজলে, যেমন এআই ওয়ান, ডে প্যাক পড়বে ৩০০০-৪০০০ রুপি, ব্যাকপ্যাক ৬০০০-৮০০০ রুপি।
·      ৫০০-৬০০ রুপিতে যেসব ট্রেকিং পোল পাবেন তাও রেপ্লিকা, মোটেও ক্যাম্প বা লেকি না। 
·      শোরুম ব্যাতিত জ্যাকেট, প্যান্ট সবই নকল, গোরটেক্স এর জ্যাকেট বা জুতা  ৪০০০-৫০০০ রুপি মানেই নকল।
·      নর্থফেসের শোরুমে ট্রেকিং বুট পাবেন, সর্বনিম্ন দাম ১১০০০ রুপি।
·      সব দোকানে সবই (সো কলড) কাশ্মিরি শাল, কাজেই বুইঝা।

 ৫। খাওয়া দাওয়া: খাওয়া ঢাকার থেকে সস্থা। অশংখ দোকান আছে। সবচেয়ে পেট ভরার জন্য লাভজনক খাওয়া নেপালে "থালি"

থালি তে ডাল ভাত সবজি আর মাছ থাকবে, ডাল ভাত সবজি আনলিমিটেড একই দামে।
থামেলে খাওয়া দাওয়ার জন্য ভাল জায়গা হোটেল আল-মদিনা। খাবার ভাল, দাম অনেক কম আর হালাল। নেপালে থাকে এমন বাংলাদেশীদের সাথেও দেখা হবে এই হোটেলে। ভিসার জন্য ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ফটো লাগে। এছাড়া ন্যাশনাল পার্ক/কনজারভেশন এরিয়া গুলাতে ট্রেকিং এ গেলে পারমিশন আর ট্রেকার ইনফো কার্ড নিতে হবে। এই জন্য ৪ কপি ফটো লাগে। (মুনতাসীর রশিদ)

৬। ট্রান্সপোর্ট: আশে পাশে যেতে ট্যাক্সি। অথবা হেঁটে ঘুরতে পারেন। বাইসাইকেল ভাড়া পাওয়া যায়। 

কাঠমান্ডু থেকে পোখারা যাবার সবচেয়ে ভাল মাধ্যম ট্যুরিস্ট বাস। ভাড়া ৫৫০-৬০০ নেপালী রুপি। কাঠমান্ডু পৌছে যে হোটেলে রুম নিবেন ওই হোটেলের রিসেপশনেই টিকেট পাবেন। সব বাসের কোয়ালিটি একই। বাসে সামনের দিকে সিট নিবেন। নাহলে জার্নি অনেক কস্টের হয়ে যাবে। জানালার পাশে সিট পেলে বোনাস। কাঠমান্ডু থেকে পোখারার রাস্তার দুইপাশের ভিউ অসাধারন। টিকেট কাটার দালাল আছে অনেক এয়ারপোর্টে। ওরা ভুগোল বুঝায়ে অনেক বেশি টাকা নিবে। ওদের সাথে কথা বলারই দরকার নাই। ট্যুরিস্ট বাসের কোন অভাব নাই। সো সিট না পাওয়ার কোন টেনশন নাই। বাস ছাড়ে সকাল ৭টা ৩০এ। বাস পার্ক থামেল থেকে ৫ মিনিটের হাটা দূরত্ব। মোবাইলে ডিরেকশনে দেখে চলে যেতে পারবেন।কাঠমান্ডু ঘুরে দেখার জন্য সবচেয়ে ভাল ও সাশ্রয়ী পন্থা লোকাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করা। এয়ারপোর্টে কাঠমান্ডুর ট্যুরিস্ট ম্যাপ ফ্রীতে পাওয়া যায়। একটা নিয়ে রাখবেন। কাঠমান্ডু ঘোরার জন্য একটা রুট ম্যাপ বানাবেন।এমন ভাবে বানাবে যেন একই রাস্তায় ২ বার আসা না লাগে, সার্কিট রুট। কাঠমান্ডুর ট্যুরিস্ট এট্রাকশনগুলা পুরা শহরেই ছড়ায়ে ছিটায়ে আছে। তাই সবগুলা দেখতে ২ দিন লাগবে। কাঠমান্ডু শহরের ভিতর লোকাল ট্রান্সপোর্ট হিসাবে মাইক্রোবাস চলে। ভাড়া প্রতিজন ১০-২০ রুপি। এইগুলা ব্যবহার করে আর অল্প কিছুটা হাটাহাটি করে কাঠমান্ডু দেখে ফেলা যায়। সারাদিনে ২০০ রুপি ভাড়ার বেশি লাগবে না। ট্যাক্সি নিলে শুধু গলাই কাটবে না, কাঠমান্ডুর আসল মজাটাও পাবেন না। কাঠমান্ডুর মানুষজন খুবই ভাল। রাস্তা চিনতে সমস্যা হলে পুলিশ বা অন্য কাউকে জিজ্ঞাসা করলেই সাহায্য পাবেন। পোলাইট, জেন্টেল ও ক্লাসি হিসাবে বাংলাদেশীদের ভাল সুনাম আছে নেপালে। সুনাম বজায়ে রাখবেন আশা করি। (মুনতাসীর রশিদ)

৭। ফেরার সময় সব টাকা খরচ করে ফেলেন না, সাথে ৪০০ রুপি রাখবেন, এয়ারপোর্টে ডিপারচার ট্যাক্স দিতে হবে।
  
৮। দিনে ১০০০ টাকা থাকলে নেপালে আরামে থাকা খাওয়া সম্ভব, গ্রুপে গেলে অারো কমবে। অবশ্যই ১০০ ডলার বা ১৫০ ডলার পাসপ্রোটে এনডোর্স করে নিয়ে জাবেন, নাহলে বাংলাদেশের এয়ারপোর্টে ভেজাল করতে পারে। বাংলাদেশি টাকা যেন যাওয়ার সময় ১০০০ এর বেশি না থাকে সাথে খেয়াল রাখবেন, নাহলে ঝামেলায় পড়বেন।


 বাই রোডে নেপাল:

ভিসা: নেপালে অন এরাইভাল ভিসা, কিন্তু যেহেতু ভারতের ভেতর দিয়ে যেতে হবে তাই ট্রানসিট ভিসা নিতে হবে ভারতের। আর ভারতের ট্রানসিট ভিসার জন্য নেপালের ভিসা থাকা লাগবে, তাই বাইরোডে গেলে নেপাল এমব্যাসি থেকে ভিসা নিতে হবে, ভিসা ফি ফ্রি নেপালের প্রথম বার। ভারতিয় ট্রান্সিট ভিসার জন্য টিকেট, ব্যান্ক সলভেন্সি বা ১৫০ ডলার এনডোর্স, নেপালে থাকার ঠিকানা , বাংলাদেশের পরিচয় পত্র, ঠিকানা ভ্যারিফিকেশনের জন্য ইউটিলিটি বিলের কপি ও মেইন কপি, এবং আরো কি কি জেনো লাগে। ট্রানসিট ভিসা পাবেন ১৫ দিনের জন্য, নেপালি ভিসা পাবেন ৩০ দিনের জন্য।

সংক্ষিপ্ত ইউআরএলঃ http://goo.gl/deYLA5