Monday, April 13, 2015

বান্দরবনের ছবি ব্লগ

আমি প্রথম বান্দরবন যাই ২০০৭ এ। তেমন কিছুই জানতাম না। Facebook ছিল না, ToB ও ছিল না। প্রথমবার এসে মেঘলা, নিলাচল/ টাইগার হিল, স্বর্ণ মন্দির, শৈলপ্রপাত, চিম্বুক দেখে ওয়াও ওয়াও করতে থাকি। এগুলো সবই মুলত শহরের আশে পাশে। সেবার ওইগুলো দেখেই পেটভরা গল্প নিয়ে ঘরে ফিরি।

২য় বার এসে কেক্রাডং “জয়” করে বিজয়ী বেশে ঘরে ফিরি, এরপর বেশ কয়েকবার বার বান্দরবন গেছি, অনেক কিছুই দেখেছি। তবে আরও অনেককিছু এখনো দেখার বাকি রয়ে গেছে। তবে বান্দরবন এর আসল ঐশ্বর্য দেখতে হলে আপনাকে আরও একটু ভিতরে ঢুকতেহবে। ২/৩ দিন পাহাড়ে হাঁটাহাঁটিকরতে হবে। আমি এখন সেই পথের কথা বলব।
বান্দরবন নিয়ে আমার সব বিস্তারিত ব্লগ 
ট্যুর প্লান-১

দিন-১-ঢাকা-বান্দরবান-রুমা-বগালেক
দিন-২-বগালেক-দার্জিলিংপাড়া-কেওক্রাডং-পাসিংপাড়া-জাদিপাইপাড়ার পাস দিয়ে-ক্যাপিটাল পিক - বাকলাই
দিন-৩-বাকলাই-সিমত্লাপিপাড়া-থানদুইপাড়া-নয়াচরণপাড়া
দিন-৪-নয়াচরণপাড়া-নেপিউপাড়া-সাকাহাফং-সাজাইপাড়া
দিন-৫-সাজাইপাড়া-সাতভাইখুম (ঝর্না)-আমিয়াখুম-নাইক্ষামুখ-সাজাইপাড়া
দিন-৬-সাজাইপাড়া-জিন্নাহপাড়া-নাফাখুম-রেমাক্রি
দিন-৭-রেমাক্রি-বারপাথর(বড়পাথর)-টিন্ডু-থানচি-বান্দরবান-ঢাকা ।
.
.
ব্লগে বাকিটুকু পড়ুন। যারা বান্দরবান যেতে চান তাদের জন্য কিছু জরুরী ফোন নাম্বার-
-চান্দের গাড়ীঃ জিয়া ড্রাইভারঃ ০১৮১২৫৭২৬৯১ ( ৪/৫ হাজার টাকা লাগে সারাদিন )।
-হোটেল সাঙ্গুঃ ০১৫৫৬৫২৯৫৮৭ (৫০০ থেকে ১০০০ টাকা প্রতি রাত।দরাদরি করে নিবেন। হোটেলের মান খুব ভালো)।
-হোটেল নিলগিরিঃ ০১৫৫৮৪২১৩১৯ ( ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা প্রতি রাত, হোটেলের মান মোটামোটি, ভাই ব্রাদার মিলে থাকতে পারবেন আর কি!)
-যদি ৫০-৬০ জন গ্রুপ হয়ে যান তাহলে খাবার এর ব্যপারে যোগাযোগ করতে পারেন রুপসি বাংলা রেস্তোরায় ; ০১৮৪৯৮৮১৫৪০ (খাবারের মান ভালো)
.
.
ব্লগে বাকিটুকু পড়ুন। নাফাখুম নিয়ে জানার ইচ্ছে?
নাফাখুম জলপ্রপাত (বাংলাদেশের নায়াগ্রা) নামকরণ কেন?
রেমাক্রি খুম দেখতে পারেন-
সাতভাইখুম দেখতে পারেন
Route for Amiakhum-Sat Bhai Khum Waterfalls
যাবার পথে তিন্দু পড়বে, তিন্দু সম্পর্কে পড়ুন ও দেখুন এখানে-
মোবাইল নেটওয়ার্ক
.
.
ব্লগে বাকিটুকু পড়ুন।

বাকলাই কোথায়, কই থাকবেন? কি খাবেন? কিভাবে যাবেন এসব !
.
.
ব্লগে বাকিটুকু পড়ুন।
Lattitude: N21 58.450
Longitude: E92 29.209

চিংড়ি ঝরণাটা বান্দারবানের বগালেকের পরেই। আবার অনেকে কেওক্রাডাং থেকে বগালেকে আসার পথে দেখে আসতে পারেন। তবে শত সৌন্দর্যের মাঝেও আমি নিঃসন্দেহে বলতে পারি এটা একটা বিপদজনক ঝর্ণা। কারণ এর বিশালাকার পিচ্ছিল পাথরগুলো যেকোন অসতর্ক মূহুর্তে ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ বিপদ ।
.
.
ব্লগে বাকিটুকু পড়ুন।



Latitude: N21 55.763
Longitude: E92 30.335

জাদিপাই/ যাদিপাই ঝরণাটা কেওক্রাডাং থেকে দেড় থেকে দুই ঘন্টার পথ, শুধুই নামতে হবে, আমার মতে এটা আমার দেখা বাংলাদেশেরসবচেয়ে সুন্দর ঝরণা, অনেক ঠান্ডা পানি, ১০ মিনিট ঝরণার পানিতে গোসল করা অনেক কঠিন একটা কাজ, আমি ৩/৪ মিনিটের বেশি টিকতেপারি নাই!!
.
.
ব্লগে বাকিটুকু পড়ুন।



এখানে পাবেন কেওক্রাডাং কিভাবে যাবেন, আসবেন, খাবেন, থাকবেন নিয়ে বিস্তারিত আলাপ-সালাপ! সাথে থাকবে কিভাবে সাকা হফাং যাবেন সেই প্ল্যান। আশা করি ভালো লাগবে।
.
.
ব্লগে বাকিটুকু পড়ুন। 


চলে আসি এবার মূল পর্বে- বান্দরবনের ছবি ব্লগে


সেন্ডাভো ঝর্ণা

চারচিং পাড়া

সেন্ডা ভো ঝর্ণা

চেদলাং ঝর্ণা

রাইক্ষাং ঝর্ণা

রাইক্ষাং ঝর্ণা

চেদলাং ঝর্ণা

সেন্ডা ভো ঝর্ণা

জাদিপাই


পুকুর পাড়া
সুংসাং পাড়া

টুল্বং/ তুবলং ঝর্ণা/ Tlu Bong Falls

টুল্বং/ তুবলং ঝর্ণা/ Tlu Bong Falls

সাকা হাপং/হপাং

জিংসিয়াম সাইতার, স্টেপ ১

জিংসিয়াম সাইতার, স্টেপ ২


Saturday, April 4, 2015

বান্দরবনের ১১টি রুট প্ল্যান



আমি প্রথম বান্দরবন যাই ২০০৭ এ। তেমন কিছুই জানতাম না। Facebook ছিল না, ToB ও ছিল না। প্রথমবার এসে মেঘলা, নিলাচল/ টাইগার হিল, স্বর্ণ মন্দির, শৈলপ্রপাত, চিম্বুক দেখে ওয়াওওয়াও করতে থাকি। এগুলো সবই মুলত শহরেরআশেপাশে। সেবার ওইগুলো দেখেই পেটভরা গল্প নিয়ে ঘরেফিরি।

২য় বার এসে কেক্রাডং “জয়” করে বিজয়ী বেশে ঘরে ফিরি, এরপর বেশ কয়েকবার বার বান্দরবন গেছি, অনেক কিছুই দেখেছি। তবে আরও অনেককিছু এখনো দেখার বাকি রয়ে গেছে। তবে বান্দরবন এর আসল ঐশ্বর্য দেখতে হলে আপনাকে আরও একটু ভিতরে ঢুকতেহবে। ২/৩ দিন পাহাড়ে হাঁটাহাঁটিকরতে হবে। আমি এখন সেই পথের কথা বলব।

প্রথম বার বান্দরবন ভ্রমনের Tour Tips

যারা বান্দরবান যেতে চান তাদের জন্য কিছু জরুরী ফোন নাম্বার-
-চান্দের গাড়ীঃ জিয়া ড্রাইভারঃ ০১৮১২৫৭২৬৯১ ( ৪/৫ হাজার টাকা লাগে সারাদিন )।
-হোটেল সাঙ্গুঃ ০১৫৫৬৫২৯৫৮৭ (৫০০ থেকে ১০০০ টাকা প্রতি রাত।দরাদরি করে নিবেন। হোটেলের মান খুব ভালো)।
-হোটেল নিলগিরিঃ ০১৫৫৮৪২১৩১৯ ( ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা প্রতি রাত, হোটেলের মান মোটামোটি, ভাই ব্রাদার মিলে থাকতে পারবেন আর কি!)
-যদি ৫০-৬০ জন গ্রুপ হয়ে যান তাহলে খাবার এর ব্যপারে যোগাযোগ করতে পারেন রুপসি বাংলা রেস্তোরায় ; ০১৮৪৯৮৮১৫৪০ (খাবারের মান ভালো)

এছাড়া আমার আরো কিছু ট্রাভেল ব্লগ/লগ দেখতে পারেন-

এখানে পাবেন কেওক্রাডাং কিভাবে যাবেন, আসবেন, খাবেন, থাকবেন নিয়ে বিস্তারিত আলাপ-সালাপ! সাথে থাকবে কিভাবে সাকা হফাং যাবেন সেই প্ল্যান। আশা করি ভালো লাগবে। 

আর এখানে পাবেন নাফাখুম-অমিয়াখুম-সাত ভাই খুম ভায়া তিন্দু-রেমাক্রি হয়ে কিভাবে ঢাকা আসবেন। এর মাঝে কিভাবে থাকবেন, খাবেন, যাবেন এই নিয়ে কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ারিং।  

চলে আসি এবার মূল পর্বে- 

বি.দ্র. এই ব্লগে কোন ছবি দিলাম না, কারন ছবি দিলে পড়ার উপর মনযোগ থাকবে না! 

ট্যুর প্লান-

দিন-১-ঢাকা-বান্দরবান-রুমা-বগালেক
দিন-২-বগালেক-দার্জিলিংপাড়া-কেওক্রাডং-পাসিংপাড়া-জাদিপাইপাড়ার পাস দিয়ে-ক্যাপিটাল পিক - বাকলাই
দিন-৩-বাকলাই-সিমত্লাপিপাড়া-থানদুইপাড়া-নয়াচরণপাড়া
দিন-৪-নয়াচরণপাড়া-নেপিউপাড়া-সাকাহাফং-সাজাইপাড়া
দিন-৫-সাজাইপাড়া-সাতভাইখুম (ঝর্না)-আমিয়াখুম-নাইক্ষামুখ-সাজাইপাড়া
দিন-৬-সাজাইপাড়া-জিন্নাহপাড়া-নাফাখুম-রেমাক্রি
দিন-৭-রেমাক্রি-বারপাথর(বড়পাথর)-টিন্ডু-থানচি-বান্দরবান-ঢাকা ।

ট্যুর প্লান-

দিন-১-ঢাকা-বান্দরবান-রুমা-বগালেক
দিন-২-বগালেক-দার্জিলিংপাড়া-কেওক্রাডং-পাসিংপাড়া-জাদিপাইপাড়ার পাস দিয়ে-ক্যাপিটাল পিক - বাকলাই
দিন-৩-বাকলাই-সিমত্লাপিপাড়া-থানদুইপাড়া-নয়াচরণপাড়া
দিন-৪-নয়াচরণপাড়া-নেপিউপাড়া-সাকাহাফং-নয়াচরনপাড়া
দিন-৫-নয়াচরনপাড়া-থানদুইপাড়া-সিমত্লাপিপাড়া-বোডিংপাড়া
দিন-৬-বোডিংপাড়া-থানচি-বান্দরবান-ঢাকা

ট্যুর প্লান-

দিন-১-ঢাকা-বান্দরবান-থানচি-বোডিংপাড়া
দিন-২-বোডিংপাড়া-তাজিনডং-সিমত্লাপিপাড়া-থানদুইপাড়া
দিন-৩-থানদুইপাড়া-নয়াচরণপাড়া-নেপিউপাড়া-সাকাহাফং-নয়াচরনপাড়া
দিন-৪-নয়াচরনপাড়া-থানদুইপাড়া-সিমত্লাপিপাড়া-বোডিংপাড়া
দিন-৫-বোডিংপাড়া-থানচি-বান্দরবান-ঢাকা

ট্যুর প্লান -

রাতের বাসে ঢাকা বান্দরবান
দিন-১ বান্দরবান - রুমা -মংপ্রোপাড়া
দিন-২ মংপ্রোপাড়া- বড়তলী পাড়া- রাইক্ষাংপাড়া
দিন-৩ রাইক্ষাং ঝর্না-রুমানাপাড়া / সুংসাংপাড়া-
দিন-৪ সুংসাংপাড়া - জাদিপাই
দিন-৫ জাদিপাই- রুমা
দিন-৬ রুমা-রিজুক-বান্দরান-ঢাকা

ট্যুর প্লান -

রাতের বাসে ঢাকা বান্দরবান
দিন-১ বান্দরবান - রুমা -বগালেক রাতে ট্রেকিং করে দার্জিলিং বা পাসিংপাড়া
দিন-২ দাজিলিংপাড়া/ পাসিংথেকে থেকে সুংসাং হযে রুমানাপাড়া
দিন-৩ রুমানাপাড়া থেকে রাইক্ষাং
দিন-৪ রাইক্ষাংঝর্না থেকে এনেংপাড়া
দিন-৫ এনেংপাড়া থেকে বগামুখপাড়া
দিন-৬ বগামুখপাড়া-রুমা-রিজুক-বান্দরান-ঢাকা

ট্যুর প্লান -

রাতের বাসে ঢাকা বান্দরবান
দিন-১ বান্দরবান - রুমা -বগালেক রাতে ট্রেকিং করে দার্জিলিং
দিন-২ দাজিলিংপাড়া - সাইকতপাড়া
দিন-৩ সাইকতপাড়া থেকে রাইক্ষাং
দিন-৪ রাইক্ষাংঝর্না থেকে এনেংপাড়া
দিন-৫ এনেংপাড়া থেকে বগামুখপাড়া
দিন-৬ বগামুখপাড়া-রুমা-রিজুক-বান্দরান-ঢাকা

ট্যুর প্লান -

রাতের বাসে ঢাকা বান্দরবান
দিন-১ বান্দরবান - রুমা -বগালেক রাতে ট্রেকিং করে দার্জিলিং
দিন-২ দাজিলিংপাড়া - সাইকতপাড়া
দিন-৩ সাইকতপাড়া থেকে রাইক্ষাং
দিন-৪ রাইক্ষাংঝর্না থেকে মংপ্রোপাড়া
দিন-৫ মংপ্রোপাড়া- রুমা
দিন-৬ রুমা-রিজুক-বান্দরান-ঢাকা

ট্যুর প্লান -

রাতের বাসে ঢাকা বান্দরবান
দিন-১ বান্দরবান - থানচি- হেডম্যানপাড়া
দিন-২ হেডম্যান - তাজিংডং -বাকলাই-
দিন-৩ বাকলাই- জাদিপাই
দিন-৪ জাদিপাই-বগালেক
দিন-৫ বগালেক-রুমা -বান্দরবান ঢাকা

ট্যুর প্লান -

রাতের বাসে ঢাকা বান্দরবান
দিন-১ বান্দরবান - রুমা -বগালেক
দিন-২ বগালেক-দাজিলিং-কেওক্রাডং-বাকলাই
দিন-৩ বাকলাই-তাজিনডং-হেডম্যানপাড়া
দিন-৪ হেডম্যান-থানচি-টিন্ডু
দিন-৫ টিন্ডু-থানচি-বান্দরবান-ঢাকা

ট্যুর প্লান - ১০

রাতের বাসে ঢাকা বান্দরবান
দিন-১ বান্দরবান - রুমা -বগালেক
দিন-২ বগালেক-দাজিলিং-কেওক্রাডং-বাকলাই
দিন-৩ বাকলাই-তাজিনডং-থানদুইপাড়া-নয়াচরন
দিন-৪ নয়াচরন-নেপিউপাড়া-সাকাহাফং-সাজাইপাড়া
দিন-৫ সাজাইপাড়া-আমিয়াখুম-সাতভাইখুম-সাজাইপাড়া
দিন-৬ সাজাইপাড়া-জিন্নাপাড়া-নাফাখুম-রেমাক্রি
দিন-৭ রেমাক্রি-বারপাথর-টিন্ডু-থানচি-বান্দরবান-ঢাকা

ট্যুর প্লান - ১১

রাতের বাসে ঢাকা বান্দরবান
দিন-১ বান্দরবান - রুমা -বগালেক
দিন-২ বগালেক-দাজিলিং-কেওক্রাডং-সুংসাংপাড়া
দিন-৩ সুংসাংপাড়া-বাকলাই
দিন-৪ বাকলাই-তাজিনডং-থানদুইপাড়া-নয়াচরন
দিন-৫ নয়াচরন-নেপিউপাড়া-সাকাহাফং-সাজাইপাড়া
দিন-৬ সাজাইপাড়া-আমিয়াখুম-সাতভাইখুম-সাজাইপাড়া দিন-৭ সাজাইপাড়া-জিন্নাপাড়া-নাফাখুম-রেমাক্রি
দিন-৮ রেমাক্রি-বারপাথর-টিন্ডু-থানচি-বান্দরবান-ঢাকা


Post Credit:  Master Travelers

বিস্কুট/ চিপস/ চানাচুর ইত্যাদির প্যাকেট বা প্লাস্টিকের বোতল, অপচনশিল বস্তু ফেলবেন না যেখানে সেখানে। যেসব পাড়ায় ডাস্টবিন আছে সেখানে ফেলুন। না পারলেপুড়িয়ে ফেলুন



Friday, February 13, 2015

জল জংগলের কাব্য, পুবাইল, গাজিপুর

জল জংগলের কাব্য, পুবাইল, গাজিপুর

টংগীর পুবাইলের পাইলট বাড়ির কথা হয়তো অনেকে জানেন। প্রাকৃতিক এক ভুমিকে অবিকৃত রেখে আরো প্রাকৃতিক করা হয়েছে ডিজাইনারের নিপুণ ছোয়ায়। জোছনা দেখতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন জল জঙ্গলের কাব্য থেকে। বিলের ওপর জোছনার আলো এক অন্য রকম অনুভূতি দিবে আপনাকে। অল্প খরচে সারাদিন ঘুরে আসার জন্য এর চেয়ে ভাল জায়গা হবে না। প্রাকৃতিক গাছপালা আর শান্তু বিলের পারে বসে কাটিয়ে দিন ১ টা দিন। ঢাকার আসে পাশে একদিনের মধ্যে ঘুরে আসার জন্যে এর থেকে ভালো জায়গা খুব কমই পাবেন।

Photo Credit: Mohibul Limon

এক জোছনা রাতে আগে থেকে খবর দিয়ে চলে যান সেখানে। প্রাকৃতিক গাছপালা আর শান্তু বিলের পারে বসে কাটিয়ে দিন ১ টা দিন।

হারিয়ে যাবার আগেই যারা আরো কিছুদিন ছুঁয়ে দেখতে চান অনাবিল সবুজ, মাছের দেখা নাই তবু বড়শি হাতে বসে থাকতে চান নিস্তরঙ্গ দুপুরে তাদের জন্য অপেক্ষায় আছে জল জঙ্গলের কাব্য ।এক নিভৃতচারী মানুষের স্বপ্নসাধ বলা যায় এই আয়োজন, ঢাকার অদূরে পূবাইলে ৯০ বিঘা জমির উপর গড়ে উঠেছে একটুকরো গ্রাম। বাঁশ আর পাটখড়ির বেড়া ,উপরে ছনের ছাউনি, সামনে দিগন্ত বিস্তৃত জলের নাচন। এটা তেমন আধুনিক জায়গা নয় কিন্তু পরিচ্ছন্ন এবং গ্রাম-বাংলার একটা ছোয়া আছে এর আদলে।

Photo Credit: Enam Talukder 
Collected from Quamrul Islam

Photo Credit: Enam Talukder 
Collected from Quamrul Islam

Photo Credit: Enam Talukder 
Collected from Quamrul Islam

Photo Credit: Enam Talukder 
Collected from Quamrul Islam

যেভাবে যাবেন : মহাখালি থেকে নরসিংদি বা কালিগন্জগামী যে কোন বাসে উঠুন। ১ ঘন্টা পর পুবাইল কলেজ গেট এলাকায় নেমে পড়ুন। ভাড়া নেবে ৪০ টাকা। এরপর একটা ব্যাটারীচালিত রিক্সায় করে পাইলট বাড়ি। গেলে এসে ফোন করুন, গেট খুলে দেবে। তবে অবশ্যই আগে বুকিং থাকতে হবে। 

অথবা ঢাকার সায়েদাবাদ, গুলিস্তান, আজিমপুর, মহাখালী থেকে গাজীপুর পরিবহন, ঢাকা পরিবহন, ভিআইপি পরিবহন ও বলাকা পরিবহনে শিববাড়ী চলে যাবেন। ভাড়া ৭০ টাকা। শিববাড়ী থেকে অটোরিকশায় ভাদুন (ইছালি) জল জঙ্গলের কাব্য রিসোর্ট। ভাড়া ৮০-১০০ টাকা।

Photo Credit: Ahmad Jamil

 Photo Credit: Ahmad Jamil

Photo Credit: Ahmad Jamil
                                    
                             
খরচ : 

** এখানে জনপ্রতি নেয়া হয় ৩০০০ টাকা নাস্তা, দুপুর ও রাতের খাবার সহ।
** শুধু দুপুর ও রাতে খাবার সহ ১৫০০ টাকা। 
** দিন রাত থাকার জন্যে ৩০০০ টাকা। 
** শিশু (৫-১০ বছর), কাজের লোক ও ড্রাইভার – ৬০০ টাকা জনপ্রতি।

যোগাযোগঃ 

মিঃ কামরুলঃ ০১৯১৯-৭৮২২৪৫
মিঃ সাহেব আলিঃ ০১৭১৯-৫২৩০১৬


Photo Credit: Shamseer Md. Saiful Aziz
                                        


গেট দিয়ে ঢুকতেই সামনে একটু খালি জায়গা, গাড়ী রাখার জন্য। প্রথম দর্শনে খুব একটা চমতকৃত হলাম না, কিন্তু ভিতরে ঢুকলেই বুঝবেন খুব ছিমছাম নিরিবিলি এই রিসোর্ট। 

Photo Credit: Ashiful Islam

Photo Credit: Ashiful Islam

Photo Credit: Ashiful Islam
                                                                      
একজন এটেন্ডেন্ট এসে নাম পরিচয় জিজ্ঞেস করে বলল, আসেন আমার সাথে। সরু গ্রামের পথ দিয়ে অল্প একটু হাঁটার পরেই একটা ঘরে বসতে বলল, পাটশোলার ঘর, একটা খাট আছে, দুসেট সোফা, আরেকটা ডিভান টাইপ, ঘরের চারদিকে খোলা। পুরা ঘর এবং ঘরের চারপাশে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার ছাপ এবং শান্তির ছাপ।

Photo Credit: Shamseer Md. Saiful Aziz
                     

খাবার মেনুগুলো দারুন : ভাত, পোলাও, চালতা দিয়ে ডাল, মুরগির মাংশ, রুই মাছ, গুড়া মাছ, তেতুল দিয়ে কচুমুখি, আলু ভর্তা, ডাল ভর্তা, ঘন ডাল আরো বেশ কটি আইটেম। 

সকালের নাস্তায় থাকে চিতই পিঠা, গুড়, লুচি, মাংশ, ভাজি, চা, মুড়ি। 

দুপুরের খাবারে থাকে ১০/১২ রকম দেশী আইটেম। মোটা চালের ভাত, পোলাও, মুরগির ঝোল, ছোট মাছ আর টক দিয়ে কচুমুখির ঝোল, দেশী রুই মাছ, ৩ রকমের ডাল, কয়েক রকমের ভর্তা এবং সবজি।

Photo Credit: Ashiful Islam

Photo Credit: Ashiful Islam
                         
Photo Credit: Ahmad Jamil

Saturday, January 10, 2015

খাগড়াছড়ি ভ্রমণ


খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মোট আয়তন ২৭০০ বর্গ কিলোমিটার। এই জেলার উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, দক্ষিণে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা, পূর্বে ভারতের মিজোরাম রাজ্য ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং পশ্চিমে চট্টগ্রাম জেলাও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য অবস্থিত। খাগড়াছড়ি একটি নদীর নাম। নদীর পাড়ে খাগড়া বন থাকায় একে খাগড়াছড়ি নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৭০০ সালে এই এলাটি কার্পাস মহাল নামে পরিচিত ছিল। তৎকালিন এর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোঃ এর সাথে একযুদ্ধে পরাজিত হয়ে তুলা কার্পাস) ট্যাক্স হিসাবে দিতে হতো।


প্ল্যান১ঃ
০ দিনঃ ঢাকা খাগড়াছড়ি। (আমরা সাধারণত রাতের বাসে যাই ও ঢাকাকে প্রাধান্য দেই তাই এভাবে লিখলাম)।
১ দিনঃ খাগড়াছড়ি আলুটিলা ও গুহা রিসাং ঝর্ণা অপু ঝর্ণা দেবতা পুকুর।
২ দিনঃ খাগড়াছড়ি দীঘিনালা সাজেক হাজাছড়া ঝর্ণা ঝুলন্ত ব্রীজ দীঘিনালা বন বিহার খাগড়াছড়ি ঢাকা (রাতের বাসে)।
প্রথম দিন ২৮০০-৩০০০ টাকায়  চাঁদের গাড়ী রিজার্ভ নিয়ে সব গুলো স্থান দেখতেপারবেন। দ্বিতীয় দিন ৫০০০-৬০০০ টাকার মত নিবে।


প্ল্যান২ঃ
০ দিনঃ ঢাকা খাগড়াছড়ি।
১ দিনঃ খাগড়াছড়ি  –  দীঘিনালা তৈদুছড়া ১ ও ২ ঝর্ণা দীঘিনালা।
২দিনঃ দীঘিনালাসাজেক হাজাছড়া ঝর্ণাঝুলন্ত ব্রীজদীঘিনালা বন বিহার দীঘিনালা।
৩ দিনঃ দীঘিনালা- নন্দরাম সিজুক ১ ও ২ ঝর্ণা খাগড়াছড়ি ঢাকা (রাতের বাসে)
প্রথম দিন চাঁদের গাড়ী রিজার্ভ না নিয়েও যেতে পারবেন। চাঁদের গাড়ী ১১০০-১২০০ টাকার মধ্যে রিজার্ভ নিয়ে খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিনালাআসতে পারবেন। অথবা বাসে দীঘিনালা জন প্রতি ৪৫ টাকা এবং মোটর সাইকেলে জন প্রতিভাড়া ১০০ টাকা। দীঘিনালা থেকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন ৪০০০- ৪৫০০ টাকার মত নিবে।


প্ল্যান৩ঃ
০ দিনঃ ঢাকা খাগড়াছড়ি।
১ দিনঃ খাগড়াছড়ি আলুটিলা ও গুহা রিসাং ঝর্ণা অপু ঝর্ণা দেবতা পুকুর।
২ দিনঃ খাগড়াছড়ি  –  দীঘিনালা তৈদুছড়া ১ ও ২ ঝর্ণা দীঘিনালা।
৩ দিনঃ দীঘিনালা সাজেক হাজাছড়া ঝর্ণা ঝুলন্ত ব্রীজ দীঘিনালা বন বিহার খাগড়াছড়ি ঢাকা (রাতের বাসে)

কিভাবে যাবেনঃ
ঢাকা থেকে শ্যামলী , হানিফ ও অন্যান্য পরিবহনের বাসে খাগড়াছড়ি যেতে পারবেন। ভাড়া নিবে ৫২০ টাকা। শান্তি পরিবহনের বাস দীঘিনালা যায়। ভাড়া ৫৮০ টাকা। এছাড়া BRTC ও সেন্টমার্টিন্স পরিবহনের এসি বাস খাগড়াছড়ি যায়। 

যোগাযোগঃ

সেন্টমার্টিন্স পরিবহন - আরামবাগঃ ০১৭৬২৬৯১৩৪১ , ০১৭৬২৬৯১৩৪০। খাগড়াছড়িঃ ০১৭৬২৬৯১৩৫৮।
শ্যামলী পরিবহন- আরামবাগঃ ০২-৭১৯৪২৯১। কল্যাণপুরঃ৯০০৩৩৩১ , ৮০৩৪২৭৫। আসাদগেটঃ ৮১২৪৮৮১ , ৯১২৪৫৪। দামপাড়া(চট্টগ্রাম)ঃ ০১৭১১৩৭১৪০৫ , ০১৭১১৩৭৭২৪৯। 
শান্তি পরিবহন-আরামবাগ(ঢাকা) ০১১৯০৯৯৪০০৭। অক্সিজেন(চট্টগ্রাম) ০১৮১৭৭১৫৫৫২। চট্টগ্রাম থেকেও খাগড়াছড়ি যেতে পারবেন।
BRTC এসিবাস  কদমতলী(চট্টগ্রাম): ০১৬৮২৩৮৫১২৫। খাগড়াছড়িঃ ০১৫৫৭৪০২৫০৭।

কোথায় থাকবেনঃ
খাগড়াছড়িতে পর্যটন মোটেল সহ বিভিন্ন মানের থাকার হোটেল আছে। দীঘিনালায় কয়েকটি হোটেল থাকলেও দীঘিনালা গেস্ট হাউজের মান কিছুটা ভালো।

খাগড়াছড়িঃ

পর্যটন মোটেলঃ এটি শহরে ঢুকতেই চেঙ্গী নদী পার হলেই পরবে। মোটেলের সব কক্ষই ২ বিছানার। ভাড়াঃ এসি ২১০০ টাকা, নন এসি ১৩০০ টাকা। মোটেলের অভ্যন্তরে মাটিতে বাংলাদেশের মানচিত্র বানানো আছে। যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২০৮৪৮৫।

হোটেল ইকোছড়ি ইনঃ খাগড়াপুর ক্যান্টর্মেন্ট এর পাশে পাহাড়ী পরিবেশে অবস্থিত। এটি রিসোর্ট টাইপের হোটেল। যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২৬২৫ , ৩৭৪৩২২৫।
হোটেল শৈল সুবর্নঃ ০৩৭১-৬১৪৩৬ , ০১১৯০৭৭৬৮১২।
হোটেল জেরিনঃ ০৩৭১-৬১০৭১।
হোটেল লবিয়তঃ ০৩৭১-৬১২২০ , ০১৫৫৬৫৭৫৭৪৬ ,০১১৯৯২৪৪৭৩০।
হোটেল শিল্পীঃ ০৩৭১-৬১৭৯৫।

দীঘিনালাঃ

দীঘিনালা গেস্ট হাউজঃ এটি দীঘিনালা শহরের বাস স্ট্যান্ডের উল্টো পাশে অবস্থিত এটি দীঘিনালার আবাসিক হোটেল গুলোর মধ্যে একটু মানসম্মত। এখানে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে রুম নিয়ে থাকা যাবে। নূর মোহাম্মদ(ম্যানেজার) ০১৮২৭৪৬৮৩৭৭
  
শাহজাহান হোটেলঃ হোটেলটি  দীঘিনালা বাজারেই। ০১৮২৫৯৮০৮৬৭  (ম্যানেজার) ০১৭৩২৫৭৩৬১৫ (মালিক)


কি দিয়ে ঘুরবেনঃ
খাগড়াছড়ি পাহাড়ী এলাকা তাই এই এলাকা পাবলিক বাস সার্ভিস কম। প্রায় সব রুটে পাবলিক বাস চললেও খুব কম। যতটুকু জানি সাজেক রোডে সপ্তাহে একদিন বাজারের দিন বাস যায় তাও একটি। তাই এর আশা করলে ভাল করে কিছু দেখা হবে না। ভাল ভাবে সব কিছু দেখতে হলে নিজস্ব গাড়ী বা রিজার্ভ চাঁদের গাড়ীই ভরসা। চাঁদের গাড়ীর ভাড়া একটু বেশী হলেও যদি বড় গ্রুপ যান তাহলে খরচ  অনেকটা কমে আসবে। চাঁদের গাড়ী দুই সাইজের হয়। ছোটটিতে ১৪ জনের মতো বসতে পারবেন। আর ছাদে বসলে তো অনেক। যদি পূর্বের অভিজ্ঞতা না থাকে তবে ছাদে উঠলে লোহার এঙ্গেল ধরে একটু সাবধানে বসবেন। পার্বত্য আঞ্চলের মধ্যে খাগড়াছড়িতে পর্যটক তুলনা মূলক কম যায় তাই অনেক গাড়ি পাবেন। শহরের শাপলা চত্তরের পাশে ও দীঘিনালা বাস ষ্ট্যান্ডে গাড়ী পাবেন। একটু দেখে শুনে দর দাম করে ঠিক করে নিবেন।

কোথায় খাবেনঃ
শহরেকিছু ভাল মানের খাবার হোটেল থাকলেও দীঘিনালাতে তেমন মানের পাবেন না। তাই সৌন্দর্য্য দর্শনকে প্রাধান্য দিয়ে এই বিষয়টা একটু ছাড় দিতে হবে। সাজেক সহ ঝর্ণা দেখার দিন অবশ্যই শুকনো খাবার সাথে রাখবেন। আর খাগড়াছড়ি শহরের কাছেই পানখাই পাড়ায় অবস্থিত সিস্টেম রেস্তোরায় অন্তত এক বেলা হলেও খেতে ভুলবেন না। এখানে খাগড়াছড়ির ঐতিহ্যবাহী খাবার খেতে পারবেন। যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২৬৩৪ , ০১৫৫৬৭৭৩৪৯৩, ০১৭৩২৯০৬৩২২।



দীঘিনালারচাঁদের গাড়ির ড্রাইভার রাজ - ০১৮২০৭৪১৬৬২, ০১৮৪৯৮৭৮৬৪৯। শিবু-০১৮২০৭৪৬৭৪৪। সাজেক যেতে গাইডের তেমন দরকার নেই। তবুও প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন। আজম(গাইড, দীঘিনালা)- ০১৫৫৭৩৪৬৪৪২ আর MD Mubarok Khan Mohin ( 01828833400) ড্রাইভার ও গাইডকে আমার রেফারেন্স দিয়ে কথা বললে সাজেক সহ খাগড়াছড়ির সব জায়গায় ওদের নিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুরে আসতে পারবেন বলে আশা করছি। খাগড়াছড়ি থেকে আপনি বাস বা মাইক্রোভাড়া নিয়ে বা নিজস্ব গাড়ীতে ভিতরের মনোরম পাহাড়ী পথে রাঙ্গামাটি যেতে পারবেন। খাগড়াছড়ি থেকে বাসে মহালছড়ি গিয়ে মহালছড়ি জালুয়া পাড়া ঘাট থেকে ট্রলারে নানিয়ার চর হয়ে রাঙ্গামাটি যেতে পারবেন। এছাড়া খাগড়াছড়ি থেকে বাস বা জিপে ( লোকাল নাম চাঁন্দেরগাড়ী ) লংগদু গিয়ে ট্রলারে করে রাঙ্গামাটি যেতে পারবেন।

আপনার সুন্দরনিরাপদ ও পরিবেশ বান্ধব ভ্রমনেই খুঁজে পাব আমার লেখার স্বার্থকতা। আপনার আনন্দ যাতে অন্যের বিষাদের কারণ না হয় সে দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন। আপনার ও আপনার সঙ্গীদের দ্বারা প্রকৃতিরও যেন কোন ক্ষতি না হয় সেটাও খেয়াল রাখবেন। আসুন আমরা সাঁজাই আমাদের পৃথিবী সবুজের সমারহে। রেখে যাই সবুজ, সুন্দর ও দূষন মুক্ত পৃথিবী পরবর্তী প্রজন্মের জন্য। সবাই ভাল ও নিরাপদে থাকবেন।


Thanks to Travel Of Bangladesh (TOB), Living In Forest, Sumit Bikram Rana.